এসএমই ঋণ নিতে কী লাগবে?
ব্যবসা শুরু থেকে সম্প্রসারণ- জামানত, কাগজপত্র, যোগ্যতা ও সুদের হার জানুন
নাজমুল হাসান
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করা, প্রতিষ্ঠানের পরিধি বাড়ানো কিংবা নতুন শাখা খোলার পরিকল্পনা- উদ্যোক্তাদের এমন নানা প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংক ঋণের গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা এসএমই। বুটিক শপ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, সেবামূলক উদ্যোগ কিংবা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ- বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা এসএমই ঋণের আওতায় আসতে পারে।
তবে এসএমই ঋণ নিতে গিয়ে অনেক উদ্যোক্তারই প্রশ্ন থাকে- কে এই ঋণের জন্য যোগ্য, কত টাকা পাওয়া যায়, কী ধরনের জামানত লাগবে, সুদের হার কত এবং আবেদনের সঙ্গে কোন কোন কাগজপত্র দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়াটি উদ্যোক্তাদের জন্য অনেক সহজ হতে পারে।
এসএমই কী?
SME শব্দটি Small, Medium ও Enterprise-এর আদ্যক্ষর। বাংলায় এর অর্থ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ। এই খাতের আওতায় কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের বিভিন্ন উৎপাদন, সেবা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
কোন প্রতিষ্ঠান কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি?
প্রতিষ্ঠানের ধরন নির্ধারণে স্থায়ী সম্পদ ও জনবলের মতো বিভিন্ন মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়।
কুটির শিল্প বা উদ্যোগ: পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্য থাকা এমন প্রতিষ্ঠান, যেখানে জমি ও কারখানা ভবন বাদে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫ লাখ টাকার নিচে এবং পারিবারিক সদস্যসহ জনবল সর্বোচ্চ ১০ জন।
আরও পড়ুন: এসএমই ঋণ কী?
মাইক্রো শিল্প বা উদ্যোগ: উৎপাদন খাতে জমি ও কারখানা ভবন বাদে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা অথবা ১০ থেকে ২৪ জন শ্রমিক রয়েছে- এমন প্রতিষ্ঠান। সেবা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে সম্পদ ও জনবলের সীমা ভিন্ন।
ক্ষুদ্র শিল্প বা উদ্যোগ: উৎপাদন খাতে জমি ও কারখানা ভবন বাদে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকা অথবা ২৫ থেকে ৯৯ জন শ্রমিক রয়েছে- এমন প্রতিষ্ঠান। সেবা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে সম্পদের সীমা ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা এবং জনবলের সীমাও আলাদা।
মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ: উৎপাদন খাতে জমি ও কারখানা ভবন বাদে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১০ কোটি টাকার বেশি থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত অথবা ১০০ থেকে ২৫০ জন শ্রমিক রয়েছে- এমন প্রতিষ্ঠান। সেবা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে সম্পদের সীমা ১ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকা এবং জনবলের সীমা ৫০ থেকে ১০০ জন।
কোনো প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি নির্ধারণে একাধিক মানদণ্ডের মধ্যে কোনো একটির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান বড় শ্রেণিতে পড়লে সেই শ্রেণিই বিবেচনা করা হয়।
বুটিক শপের নতুন শাখার জন্যও কি ঋণ পাওয়া যায়?
পাওয়া যেতে পারে। কোনো বুটিক শপের উদ্যোক্তা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য নতুন শাখা খুলতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের ধরন ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এসএমই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।
নারী উদ্যোক্তা কারা?
সরকারের শিল্পনীতি-২০১০ অনুযায়ী, ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কোনো নারী স্বত্বাধিকারী বা প্রোপ্রাইটর হলে তিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বিবেচিত হন।
অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কিংবা জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত প্রাইভেট কোম্পানির ক্ষেত্রে নারীকে কমপক্ষে ৫১ শতাংশ মালিকানার অংশীদার হতে হবে।
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কী সুবিধা?
নারী উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা রয়েছে। পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ অর্থ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।
এ ছাড়া পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক রেটের সঙ্গে ৫ শতাংশ যোগ করে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদহারে ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। নির্দিষ্ট শর্তে নারী উদ্যোক্তাকে শুধু ব্যক্তিগত জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সুযোগও রয়েছে।
নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান, আঞ্চলিক ও নির্বাচিত শাখায় বিশেষ পরামর্শ ও সেবা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
ক্ষুদ্র ঋণের সীমা কত?
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে ঋণের সীমা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ঋণের নিম্নসীমা ১০ হাজার টাকা।
এসএমই ঋণের সুদের হার কত?
এসএমই ঋণের সুদের হার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ও উপখাত অনুযায়ী নির্ধারণ করে। তবে সুদের হার সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে।
কিছু পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নারী উদ্যোক্তা, প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তা, নতুন উদ্যোক্তা এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদে অর্থায়নের নির্দেশনা রয়েছে।
ঋণ নিতে কী ধরনের জামানত লাগে?
ঋণের ধরন অনুযায়ী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের জামানত চাইতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-
- মজুদ পণ্য ও যন্ত্রাংশের হাইপোথিকেশন
- স্থাবর সম্পত্তির মর্টগেজ
- ব্যক্তিগত জামানত
- গ্রুপ বা সামাজিক জামানত
- পোস্ট-ডেটেড চেক
তবে কী ধরনের জামানত দিতে হবে এবং তার পরিমাণ কত হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতিমালার ওপর নির্ভর করে।
কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে?
এসএমই ঋণের আবেদন করতে সাধারণত বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, জাতীয় পরিচয়পত্র, দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ভাড়া চুক্তিপত্র, বীমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র, জামানতনামা, ব্যবসায়ের মজুদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাবের বিবরণী এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হতে পারে।
তবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানভেদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকায় কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।
উদ্যোক্তার কী যোগ্যতা থাকা দরকার?
সাধারণভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থায়ন পেতে কমপক্ষে দুই বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, বৈধ ট্রেড লাইসেন্স এবং প্রযোজ্য জামানত প্রয়োজন হতে পারে।
তবে নতুন উদ্যোগের ক্ষেত্রেও অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে। উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং প্রকল্পটি সফল হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নতুন উদ্যোগে অর্থায়ন করতে পারে।
গ্রুপ ঋণ কী?
কোনো একক নারী উদ্যোক্তা এসএমই ঋণের সর্বনিম্ন সীমার প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে সক্ষম না হলে একই ধরনের কয়েকজন নারী উদ্যোক্তা মিলে গ্রুপ গঠন করে ঋণের আবেদন করতে পারেন। ব্যাংক ঋণ অনুমোদন করলে সেটি গ্রুপ ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় এ ধরনের ঋণও পুনঃঅর্থায়নের যোগ্য হতে পারে এবং নির্ধারিত ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদহার প্রযোজ্য হয়।
ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং কী?
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্দিষ্ট ধরনের শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। যেমন- বগুড়ার লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, সিরাজগঞ্জের তাঁত, জামালপুরের হস্ত ও কুটির শিল্প এবং সিলেটের মণিপুরী তাঁতশিল্প।
একটি এলাকায় একই ধরনের পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎপাদনে সহায়ক একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে সেটিকে শিল্প ক্লাস্টার বলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে এক বা একাধিক ব্যাংকের সমন্বিত অর্থায়ন ও পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাই ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং।
পুনঃঅর্থায়ন কী?
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনো এসএমই উদ্যোক্তাকে ঋণ দেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত কোনো পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় সেই ঋণের বিপরীতে অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিলে সেটিকে এসএমই ঋণের পুনঃঅর্থায়ন বলা হয়।
এসএমই খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করেছে। এসব স্কিমের কিছু ক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে বিশেষ সুদহারের সুবিধা রয়েছে।
এসএমই ঋণের জন্য আলাদা শাখা আছে?
আছে। এসএমই ও কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংকগুলোর এসএমই ও কৃষি ঋণ শাখা রয়েছে।
বিশেষ করে মফস্বল এলাকায় এ ধরনের শাখা খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতিমালা রয়েছে।
কনজ্যুমার ঋণ কি এসএমই ঋণ?
না। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ভোগের জন্য গাড়ি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, কম্পিউটার, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন পণ্য কেনার জন্য যে ঋণ দেওয়া হয়, তা কনজ্যুমার ঋণ।
অন্যদিকে ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য দেওয়া ঋণই এসএমই ঋণের আওতায় পড়ে।
কৃষি ঋণ ও এসএমই ঋণের পার্থক্য কোথায়?
শস্য ও ফসল উৎপাদন, মাছ চাষ, প্রাণিসম্পদ পালন, সেচ, কৃষিযন্ত্র কেনা, বীজ উৎপাদন এবং কৃষিপণ্য গুদামজাত ও বাজারজাতকরণের মতো কর্মকাণ্ডের জন্য দেওয়া ঋণ কৃষি ঋণ।
অন্যদিকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীল শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য দেওয়া ঋণকে এসএমই ঋণ বলা হয়।
কৃষিভিত্তিক শিল্প কী?
কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে ভোগ্য ও শিল্পপণ্য উৎপাদনকারী শিল্পকে কৃষিভিত্তিক শিল্প বলা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক শিল্প খাত চিহ্নিত করা হয়েছে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পও এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
জাতীয় শিল্পনীতি-২০১০-এ কৃষিভিত্তিক শিল্পকে গুরুত্বপূর্ণ বা ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ খাতে অর্থায়নের জন্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কি সরাসরি এসএমই ঋণ দেয়?
সাধারণ উদ্যোক্তা বা জনগণকে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি এসএমই ঋণ দেয় না। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে অর্থায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
তাই এসএমই ঋণের জন্য উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
কোথায় যোগাযোগ করবেন?
এসএমই উদ্যোগ ও ঋণসংক্রান্ত পরামর্শের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগে যোগাযোগ করা যায়। নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় এ বিভাগে রয়েছে Women Entrepreneurs Development Unit।
এসএমই ঋণসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের Financial Integrity and Customer Service Department-এর অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। অভিযোগ কেন্দ্রের ফোন নম্বর ১৬২৩৬ এবং ই-মেইল [email protected]।
ছোট ব্যবসা শুরু করা কিংবা বিদ্যমান ব্যবসাকে বড় করার ক্ষেত্রে এসএমই ঋণ উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। তবে ঋণের জন্য আবেদন করার আগে নিজের প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি, যোগ্যতা, সম্ভাব্য সুদের হার, জামানত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শর্ত ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। এতে ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া যেমন সহজ হবে, তেমনি ভবিষ্যতে পরিশোধের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি কমবে।
