২৪ ঘণ্টায় গ্যাস উৎপাদন ২৫৮৩ মিলিয়ন ঘনফুট
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
ফাইল ছবি
দেশে একদিনে মোট ২ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১ হাজার ৫৯৯ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি এবং আমদানি করা এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৮৩ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলার ২০-২১ সেপ্টেম্বরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি হলেও উৎপাদিত হয়েছে ২ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ, মোট সক্ষমতার প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্যবহার করা হয়েছে। ১১৯টি উৎপাদনশীল কূপের মাধ্যমে এই গ্যাস উত্তোলিত হয়।
আন্তর্জাতিক কোম্পানি (আইওসি): দেশীয় উৎপাদনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে আইওসি পরিচালিত ক্ষেত্রগুলো, যেখান থেকে এসেছে ৮৭৫ দশমিক ২ এমএমসিএফডি গ্যাস। এর মধ্যে একাই শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ হয়েছে ৭০৬ দশমিক ২ এমএমসিএফডি।
আরও পড়ুন: ‘কয়েকটা ককটেল-বাসে আগুন দিয়ে সংকট তৈরি করা যাবে না’
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) থেকে ৪৪৮ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল) থেকে ১৩৯ দশমিক ৬ এমএমসিএফডি এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) থেকে ১০৩ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।
এলএনজি সরবরাহ: আরপিজিসিএল পরিচালিত এলএনজি থেকে ৯৮৩ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণের সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি হলেও এর চেয়ে কিছুটা কম গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
এ ছাড়া গ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট দিনে মোট ৫ হাজার ৫৯৬ দশমিক ৬ টন কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫৩৬ টনই এসেছে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্র থেকে।
উল্লেখ্য, পুনঃগ্যাসীকরণ হলো এমন একটি শিল্প প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অতি-শীতল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজিকে পুনরায় সাধারণ তাপমাত্রায় এনে ব্যবহারের উপযোগী গ্যাসে রূপান্তর করা হয়।
