প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৪৬ হাজার ফল পুনঃপ্রকাশের নির্দেশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল কোটার ভিত্তিতে নয়, মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি রিটকারী ১৫১ জনকে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। রায়ের পর তিনি বলেন, ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তৎকালীন কোটা পদ্ধতিতে ৮৪ শতাংশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে ১৫১ জন প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করে দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের পর সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী ৯৩ শতাংশ পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত।
আরো পড়ুন : প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না আজ
তিনি জানান, ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করে রিটকারীদের নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলে আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রথম নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল সুপ্রিম কোর্টের কোটা বাতিলসংক্রান্ত রায়ের আলোকে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে। অর্থাৎ কোটার পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারণ করতে হবে।
তৃতীয় নির্দেশনায় আদালত বলেছেন, মামলাটি চলাকালে ইতোমধ্যে নিয়োগ পাওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জন সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ ন্যায়বিচারের স্বার্থে বহাল থাকবে।
