শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের বাধা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর এলাকায় পৌঁছানোর পর পুলিশ তাদের অগ্রসর হতে বাধা দেয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হয়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে সড়কের দুই পাশেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকে পড়ে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
প্রায় এক ঘণ্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা কলেজের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরু করেন তারা।
আলোচনার সময় একদল সচিবালয়ের দিকে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। অন্যরা শিক্ষা ভবন কিংবা বকশীবাজারে অবস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দিকে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। এ নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে কিছু সময় মতবিরোধও দেখা দেয়।
আরো পড়ুন : শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্স ল্যাবে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
শেষ পর্যন্ত আলোচনা শেষে বড় একটি অংশ শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অতিক্রম করে বকশীবাজারের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন। অন্যদিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজের সামনের অবস্থান ত্যাগ করেন।
মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের কিছুক্ষণ আলোচনা করতে দেখা যায়।
এদিকে সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে শিক্ষার্থীরা সরে যাওয়ার পর ধানমন্ডি-নিউমার্কেট এবং নিউমার্কেট-ধানমন্ডিমুখী সড়কে ধীরে ধীরে যান চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘ সময় আটকে থাকা যানবাহনগুলো একে একে গন্তব্যের দিকে যেতে থাকে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কেও যানজট কমে আসে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।
