সমাজকল্যাণমন্ত্রী
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চল অবহেলিত থাকবে না
মোস্তাফিজুর রহমান বকুল, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দিনাজপুরের খনিজ সম্পদ সুষ্ঠু ব্যবহার ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চল অবহেলিত থাকবে না।
রোববার সকালে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ইনফ্লুয়েন্স জোনের বাইরে অবস্থিত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের বাড়িঘরে ফাটল দেখা দেওয়ায় ক্ষতিপূরণ/অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খনিজ সম্পদ সুষ্ঠু ব্যবহারে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ নিজে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। জনগণকে নিয়েই আমরা দেশের উন্নয়ন করতে চাই।
খনির অফিসার্স ক্লাব ‘মনমেলা’য় রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এজেডএম রেজওয়ানুল হক এমপি, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসাসহ বিসিএমসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. শাহ আলম।
প্রথম দিনে ১৩০ জন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দার হাতে এ চেক তুলে দেওয়া হয়। বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এ অর্থ বিতরণ করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি গ্রামের মোট ২ হাজার ২৫টি পরিবারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হবে। ক্ষতিপূরণের নির্ধারিত হার অনুযায়ী, কাঁচা ঘরের জন্য ৮ হাজার টাকা, কাঁচা-পাকা ও পাকা ঘরের জন্য ১০ হাজার টাকা এবং গোডাউনের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে উল্লেখ করা গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে—উত্তর চৌহাটি, চক মহেশপুর, চেরাপাড়া, মোবারকপুর, দক্ষিণ রসুলপুর (ছোট), দক্ষিণ রসুলপুর (বড়), মধ্য দুর্গাপুর, কয়লাখনি বাজার, শাহাগ্রাম, হামিদপুর, বৈগ্রাম বাজার, বৈগ্রাম, জব্বারপাড়া, পূর্ব জব্বারপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা।
