আমাকে লাথি মেরেছে, সিসিটিভি বন্ধ করে, ভয়ঙ্কর অভিযোগ মমতার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত
প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যজুড়ে পরিবর্তনের ঝড়। একাধিক জেলায় কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। মোট ৯টি জেলা থেকে দলটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। এমনকি দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুরে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। তবে ফল ঘোষণার আগেই তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে কলকাতার কালীঘাটের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সোমবার ফল গণনার দিন ভবানীপুর বিধানসভার ভোট গণনা কেন্দ্রের ভেতরে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। খবর হিন্দুস্থান টাইমস।
সোমবার ফল ঘোষণার দিন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে স্থাপিত গণনাকেন্দ্রে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, সেখানে তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে এবং শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি গণনাকেন্দ্র ত্যাগ করেন।
আরো পড়ুন : পদত্যাগ করবেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা
গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তৃণমূল নেত্রী দাবি করেন, “বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন লুট করেছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির কমিশন। দুপুর ৩টা থেকে আমাদের মারধর করা হচ্ছে। আমাকে লাথি মারা হয়েছে, সিসিটিভি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের একজন এজেন্টকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমি নিজে ভেতরে গিয়ে অনুরোধ করেছিলাম, কিন্তু পরে কাউকে আর পাওয়া যায়নি। আমি সব জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি।”
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এ ফলাফলকে ‘অনৈতিক জয়’ আখ্যা দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা বেআইনি ছিল। তাঁর ভাষায়, “এটা শুধু লুটপাট। তবে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।”
২০২১ সালের নন্দীগ্রামের পর এবারও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নিজের ঘরের মাঠ ভবানীপুরেই প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে হারেন তিনি। এর আগে নন্দীগ্রামে তিনি হেরেছিলেন ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে।
জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই জয় জনগণের জয়।”
