×

আন্তর্জাতিক

২০৩৪ সালের মধ্যে ২০৫ বিলিয়ন ডলারে দাড়াবে ভারতের চিপ শিল্প

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম

২০৩৪ সালের মধ্যে ২০৫ বিলিয়ন ডলারে দাড়াবে ভারতের চিপ শিল্প

ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর ভর করে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাত এক অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২০ সালে যেখানে এই খাতের মূল্যায়ন ছিল মাত্র ২০ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০৩৪ সালের মধ্যে তা ২০৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও এখন পর্যন্ত এর বার্ষিক বৃদ্ধির হার কিছুটা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে, তবে ২০৩৪ সাল নাগাদ এই প্রবৃদ্ধির হার ১৫ থেকে ১৯ শতাংশের ঘরে স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই শিল্পের ব্যাপক প্রসারণ ক্ষমতা সামগ্রিক অর্থনীতিতে আরও গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। খবর এনডিটিভির

ভারতের এই জাতীয় অর্থনৈতিক গতিশীলতার পেছনে রয়েছে ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যময় উৎপাদন ব্যবস্থা এবং চাহিদার একটি মজবুত ভিত্তি। বৈশ্বিক ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টিং ফার্ম ‘আইএমএআরসি’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমে ৩৬.২ শতাংশ অংশীদারিত্ব নিয়ে আঞ্চলিক বণ্টনে শীর্ষস্থানে রয়েছে দক্ষিণ ভারত। এরপরই প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ২৭.৮ শতাংশ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উত্তর ভারত। অন্যদিকে পশ্চিম ও মধ্য ভারতের অংশীদারিত্ব ২২.৫ শতাংশ এবং পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের অবদান মোট আঞ্চলিক পদচিহ্নের ১৩.৫ শতাংশ।

এই প্রবৃদ্ধির ধারাকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত বিবর্তনের ক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই মিশনের প্রথম ধাপটি মূলত চিপ তৈরি এবং সংযোগস্থাপনের (ফ্যাব্রিকেশন ও অ্যাসেম্বলি) জন্য মৌলিক অবকাঠামো তৈরিতে সফল হয়েছিল। তবে বর্তমানের আইএসএম ২.০ মিশনটির মূল কৌশলগত লক্ষ্য হচ্ছে দেশীয় চিপ ডিজাইন, বিশেষায়িত কাঁচামাল উৎপাদন এবং শিল্প-নেতৃত্বাধীন গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করা।

সরকারের এই নীতিগত উদ্যোগগুলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বাজারে প্রবেশের পথকে সহজ করে তুলেছে। একই সাথে প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেনটিভ এবং একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক পরিবেশ নিশ্চিত করার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ অ্যাসেম্বলি থেকে জটিল চিপ উৎপাদন প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ২০২৫ সালে অভ্যন্তরীণ বাজারের মূল্যায়ন যেখানে প্রায় ৫২ বিলিয়ন ডলার ছিল, সেখান থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ২০৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাওয়া- এই খাতের দ্রুতগতির অগ্রযাত্রাকেই নিশ্চিত করে।

আঞ্চলিক সক্ষমতাকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগিয়ে ভারত পদ্ধতিগতভাবে তার অভ্যন্তরীণ শিল্প ব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রস্তুত করছে, যা ২০২০ সাল থেকে শুরু করে আগামী দশকের শেষ নাগাদ সেমিকন্ডাক্টরের মোট বাজার চাহিদাকে দশ গুণেরও বেশি বাড়িয়ে তুলবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

এবার সৌদির তেল স্থাপনায় হুথির সরাসরি হামলা

এবার সৌদির তেল স্থাপনায় হুথির সরাসরি হামলা

ভারতে এবার সড়কমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে নতুন পার্টির আত্মপ্রকাশ

ভারতে এবার সড়কমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে নতুন পার্টির আত্মপ্রকাশ

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে ছাড়া হচ্ছে ৬ লাখ পুরুষ মশা

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে ছাড়া হচ্ছে ৬ লাখ পুরুষ মশা

খুলনায় হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

খুলনায় হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App