ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারো ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অঞ্চলটিতে হঠাৎ এই ভূকম্পন তৈরি হলে মুহূর্তের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
চলতি সপ্তাহে ফ্লোরেস অঞ্চলে এটি একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প। এর আগে, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) ৫ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। জার্মানির জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পটিরও উৎপত্তি হয়েছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে আরও শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে ফ্লোরেস। শনিবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৫৩ জন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যখন উদ্ধারকাজ চলছিল, তখনই সোমবার ফের ভূমিকম্প আঘাত হানে।
আরো পড়ুন: কেনিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত ৫ আমেরিকানসহ ও ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান নিহত
পরপর ভূমিকম্পে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৯০০টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও প্রায় ৪৫০টি ঘরবাড়ি। দুর্গত এলাকা থেকে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৩৫ জন। শুধু ফ্লোরেস অঞ্চলেই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা অন্তত ২৪১টি।
ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলে আতঙ্কে অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। পরে অবশ্য সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করছেন ত্রাণকর্মীরা। দুর্গতদের মধ্যে চাল, প্রস্তুত খাবার, বিশুদ্ধ পানি, কম্বল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।
সূত্র: খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের
