জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে হবে: মির্জা ফখরুল
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৪৬ পিএম
দেশ এখন ঘোর দুর্দিন অতিক্রম করছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের আবারও অধিকারহারা বঞ্চিত জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে বেরিয়ে আসতে হবে। ভাঙতে হবে স্বৈরাচারের দুঃশাসনের শৃঙ্খল।
২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস সামনে রেখে রবিবার (২৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের প্রেরণার উৎস। আমি ঊনসত্তরের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক তাৎপর্যময় ও গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে ছাত্র-জনতার দৃঢ় ঐক্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনকে গণঅভ্যূত্থানে রূপান্তরিত করেছিল। ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল পশ্চিমা শাসন-শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে রাজপথে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। দীর্ঘদিন ধরে এদেশের জনগণের হারানো অধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলন ‘৬৯ এর এ দিনে গণঅভ্যুত্থানে পরিণতি লাভ করে। সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণের এ সংগ্রাম ছিল বিশ্বের সব স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা। ৬৯ এ স্বৈরশাসনের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-স্বাধিকারের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছিলো।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা দাবি এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেওয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থানের নায়ক শহীদ আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামানের (যিনি শহীদ আসাদ নামে নাম পরিচিত) আত্মদানের পর ২১, ২২, ২৩ জানুয়ারি শোক পালন করে। এরপর ২৪ জানুয়ারি ঢাকায় সর্বস্তরের গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।
