×

জাতীয়

চীন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সমঝোতার বিষয়ে আগ্রহ

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৩৪ এএম

চীন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সমঝোতার বিষয়ে আগ্রহ

ছবি: ভোরের কাগজ

তিন দলের নেতাদের সঙ্গে দুই কংগ্রেসম্যানের বৈঠক

চীন প্রশ্নে মার্কিন চাপের মধ্যে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে ঢাকা সফররত দুই কংগ্রেসম্যানের বৈঠকের পরই এ বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। শুধু চীন ইস্যু নয়- ইন্দো-প্যাসিফিকের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন সফরকারীরা। নির্বাচনের বিষয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমঝোতার পথ আছে কিনা সেটাও জানতে চেয়েছেন তারা। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসা মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য এড কেইস ও রিচার্ড ম্যাকরমিক গতকাল রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজসভার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

প্রসঙ্গত, মার্কিন দুজন কংগ্রেসম্যানের ঢাকা সফর নিয়ে পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে তারা কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে এসেছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে তাদের মূল এজেন্ডা বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন এবং চীনসহ ভূ-রাজনৈতিক নানা ইস্যু। এর আগে, চার দিনের সফরে গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছান দুই মার্কিন কংগ্রেসম্যান। এদের মধ্যে এডওয়ার্ড কেইস ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এবং রিচার্ড ম্যাকরমিক রিপাবলিকান পার্টির। বাংলাদেশে মার্কিন কর্মকর্তাদের একের পর এক সফরের মধ্যেই দেশে এলেন তারা।

সফরকারীরা গতকাল দিনের শুরুতে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দূতাবাস পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর সেখান থেকে সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মধ্যাহ্নভোজ ও বৈঠক করেন দুই কংগ্রেসম্যান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ুবিষয়ক দূত সাবের হোসেন চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত উপস্থিত ছিলেন। এরপর বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের গুলশানের বাসায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে চা-চক্র হয়েছে। এই চা-চক্রে প্রথম আলো সম্পাদকসহ সুশীল সমাজের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। আজ সোমবার দুই কংগ্রেসম্যান যাবেন কক্সবাজারে। সেখানে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন এবং জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সফররত দুই মার্কিন কংগ্রেসম্যানের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠকে আগামী নির্বাচনের পাশাপাশি ভূ-রাজনীতি, বিশেষ করে বাংলাদেশে চীনের প্রভাব আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কংগ্রেসম্যানরা বৈঠকে সতর্ক করেছেন, বাংলাদেশ যেন চীনের দিকে বেশি ঝুঁকে না যায়। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দুপক্ষের সম্পর্কের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে কংগ্রেসম্যানরা বলেছেন, তারা সবগুলো রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান দেখতে চায়, যেখানে কোনো সহিংসতা থাকবে না।

বৈঠকে চীন নিয়ে দুই কংগ্রেসম্যানের সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, চীন নিয়ে তারা বলেছে, তোমরা চীনের ভেতরে চলে যাচ্ছ। আমরা বলেছি, না, আমরা চীনের ঋণের ফাঁদে যাচ্ছি না। আমরা চীন থেকে যে ঋণ নিয়েছি- সেটা মাত্র ১ শতাংশের মতো। এটা কোনো বড় ইস্যু নয়। বলেছি, মনস্তাত্ত্বিকভাবে আমরা অবাধ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) কাছে বিভিন্ন লোকজন বলেছে, বাংলাদেশ একটি ভয়ংকর জায়গা। এরা চায়নার খপ্পরে পড়ে গেছে। চায়নার গোলাম হয়ে গেছে। এখানে অশান্তি আর অশান্তি। পুলিশ সব লোকজনকে ধরে মেরে ফেলছে। এই ধরনের একটি ধারণা করে ভয় ওদের। তবে এসব কোনোটাই সত্য নয়।

ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়ে কী আলাপ হয়েছে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়ে যে আউটলুক তৈরি করেছি, সেটা বলেছি। আমরা অবাধ, মুক্ত, স্বাধীন এবং নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক চাই। এখানে অবাধ চলাচল (ফ্রি নেভিগেশান) চাই। সবার সমৃদ্ধ হবে, এমন ইন্দো-প্যাসিফিক আমরা চাই। নির্বাচন ইস্যুতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের সঙ্গে কী আলাপ হয়েছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, তারা (মার্কিন কংগ্রেসম্যানরা) নির্বাচনের কথা বলেছে। আমরা বললাম, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। নিজের তাগিদে আমরা একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই। এটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার করেছেন, আমরাও চাই। কারণ আমরা জনগণের সমর্থনে আছি। আওয়ামী লীগ সব সময় নির্বাচনে বিশ্বাস করে, নির্বাচনমুখী দল।

কংগ্রেসম্যানরা জানতে চেয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে কোনো সুযোগ আছে কিনা- তারা (কংগ্রেম্যান) বলেছে, তোমাদের কোনো সমঝোতার পথ আছে কিনা ওদের (বিএনপি) সঙ্গে। আমরা বলেছি, তাদের যে দাবি সরকার পতন হবে, ওটাতে আমরা কোনোমতে সমঝোতার কোনো স্কোপ (সুযোগ) দেখি না। নির্বাচনের সময় তোমাদের দেশে (যুক্তরাষ্ট্র) কি সরকার পতন হবে? নিশ্চয়ই না। এরকম ডিমান্ড (বিএনপির যে চাওয়া) থাকলে তোমরা কি আলোচনায় বসবা? ওগুলোর প্রশ্নই উঠতে পারে না। আমরা আমাদের শাসনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন করব। নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করুক, সেটাই আমরা চাই। কে জিতবে না জিতব, সেটা জনগণের ওপর নির্ভর করবে। তবে আমরা বিশ্বাস করি আমরা অনেক ভালো কাজ করেছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরো বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতা থাকলে সুষ্ঠু এবং সহিংসতা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব। যতগুলো দল আছে সব দল যদি নির্বাচনে যোগদান করে, তারা যদি আন্তরিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয় অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতা ছাড়া নির্বাচন চায়, তাহলে নির্বাচন সহিংসতা ছাড়া হবে। সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে সহিংসতা ছাড়া নির্বাচন হবে। সরকার বা নির্বাচন কমিশন চাইলে সহিংসতা ছাড়া নির্বাচনের বিষয়ে গ্যারান্টি দেয়া যায় না। আমরা আরো বলেছি, এখানে নির্বাচন তোমাদের (যুক্তরাষ্ট্র) ওখানের চেয়ে ভালো হয়। তোমাদের ওখানে লোকে ভোট দেয় না। আমাদের এখানে অধিকাংশ লোক ভোট দেয়। ৭০ ভাগ লোক ভোট দেয়। তোমাদের ওখানে লোক নির্বাচনে দাঁড়ায় না। এখানে একটা নির্বাচনে কয়েকশ লোক দাঁড়ায়। ওটা নিয়ে আমাদের কোনো অসুবিধে নেই। শুধু সব দলের ও মতের লোকের আন্তরিকতার দরকার।

কংগ্রেসম্যানরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে কোনো বার্তা বা কোনো ফর্মূলা দিয়েছে কিনা- জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রিপাবলিক একজন বলল, আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) সব সময় সমঝোতায় যাই। আমরা বলেছি, সমঝোতা করার মতো দাবি-দাওয়া তো এখানে নেই। আমরা চাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমাদের প্রতিপক্ষ দল (বিএনপি) তো নির্বাচনের খবরই রাখে না। তারা চায় সরকার পতন। সরকার পতনের ইস্যু সংলাপে যাওয়ার মতো কোনো টপিক নয়।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে, সরকারের এমন বক্তব্যে আশ্বস্ত হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেটা তাদের জিজ্ঞাসা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরো বলেন, দুই কংগ্রেসম্যানের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের কাজ দেয়ার জন্য। আমরা বলেছি, আমাদের ঘনবসতি। আর আমাদেরই প্রতি বছর ২০ লাখ যুবক কাজের বাজারে যোগ হয়। তোমরা রোহিঙ্গাদের তোমাদের দেশে নেয়ার কথা বলে মাত্র ৬২ জন রোহিঙ্গা নিয়েছ। পারলে আরো রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাও। ওরা (কংগ্রেসম্যানরা) বলেছে, ওরা (যুক্তরাষ্ট্র) এটা নিয়ে আগ্রহী নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সফররত দুই মার্কিন কংগ্রেসম্যান বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের গুলশানের বাসভবনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি- এই ৩ রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আগামী নির্বাচন নিয়ে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ওয়াশিকা আয়েশা খান এবং তামান্না নুসরাত বুবলি অংশ নেন। জাতীয় পার্টির পক্ষে মেজর রানা, জি এম কাদেরের স্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরিফা কাদের এবং বিএনপির পক্ষে দলটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী অংশ নেন।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে কংগ্রেসম্যানরা আগামী নির্বাচন নিয়ে জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে আগামী নির্বাচন সহিংসতামুক্ত হবে কিনা- সবগুলো রাাজনৈতিক দল অংশ নিবে কিনা এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমাঝোতার সুযোগ আছে কিনা? কংগ্রেসম্যানদের এমন জানতে চাওয়ার জবাবে সরকারি দল বলেছে যে আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের শতভাগ পরিবেশ বজায় আছে এবং অযৌক্তিক ইস্যুতে বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা সম্ভব নয়। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ না করলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব না।

বৈঠক শেষে বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের সঙ্গে নির্বাচন, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিরপেক্ষ বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন বিষয়ে আমাদের দাবির কথা জানিয়েছি। গত দুটি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি, তা-ও জানিয়েছি। আমরা আশাবাদী এ দেশে একটি সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত কী আলোচনা হয়েছে তা আমি দলকে জানাব। তবে চা-চক্র শেষে পিটার হাসের বাসা থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চাননি জাতীয় পার্টির নেতারা।

এদিকে কংগ্রেসম্যানের ঢাকা সফর নিয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত শমসের মবিন চৌধুরী ভোরের কাগজকে বলেন, পুলিশ হাজার হাজার লোক মেরে ফেলেছে, চীনের খপ্পড়ে বাংলাদেশ পড়েছে- এসব কথা ঢাকা সফরকারী দুই মার্কিন কংগ্রেসম্যান কীভাবে এবং কোন পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চেয়েছেন তা আমরা জানি না। তবু সফরের প্রথমদিনের নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা এখান থেকে নেতিবাচক কিছু পাইনি।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সম্প্রতি ঘন ঘন মার্কিন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছেন। গত ৬ আগস্ট ঢাকা সফর করেন দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈশ্বিক দুর্নীতি দমন বিভাগের সমন্বয়ক রিচার্ড নেফিউ। চলতি মাসের শেষের দিকে প্রতিরক্ষা সংলাপে যোগ দিতে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের কৌশলগত পরিকল্পনা ও নীতিবিষয়ক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল টমাস জেমস। আগামী মাসে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার রূপরেখা চুক্তি (টিকফা) সংক্রান্ত পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ। এছাড়া অক্টোবরে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজনের চেষ্টা চলছে। আর আগামী ৮ অক্টোবর ঢাকায় আসার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। গত জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফরে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি আভাস

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি আভাস

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের হাতছানি

দ্বিতীয় ওয়ানডে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের হাতছানি

বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

১৫ জনের হাত ধরে ৫৫ বাজেট

১৫ জনের হাত ধরে ৫৫ বাজেট

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App