মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র্যাব
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। অভিযানের মাধ্যমে কিশোর গ্যাংগুলোকে অনেকটাই নির্মূল করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গডফাদারদের গ্রেপ্তারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে অভিযান চালানোর পরিবর্তে মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ফলে মোহাম্মদপুরের পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে। নগরীর বাসিন্দারা নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবেন।
মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে পরিচিত করার যে ধারণা তৈরি হয়েছে, সেটিকে প্রচারিত একটি ধারণা হিসেবে উল্লেখ করেন র্যাব-২ অধিনায়ক।
তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরকে এই পরিচিতি থেকে বের করে আনতে কাজ করছে র্যাব। এরই মধ্যে অনেকটা সফলতা এসেছে। অদূর ভবিষ্যতে এলাকাটি থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
নয়মুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, একইভাবে পুরো রাজধানীকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্যেও কাজ চলছে।
অ্যালেক্স ইমন হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, তদন্তে সহায়তার অংশ হিসেবে গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে র্যাব।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
তবে মামলাটির সরাসরি তদন্ত র্যাব করছে না জানিয়ে নয়মুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশই দিতে পারবে।
