হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাত দিন সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সময়ে বন্দর দিয়ে কোনো পণ্য পরিবহন করা হবে না।
বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম শাহীন জানান, আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, আগামী ১৭ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। বিষয়টি ভারতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের বন্দরসংশ্লিষ্ট সব পক্ষকেও বিষয়টি চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২৪ অক্টোবর থেকে আবার হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
তবে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতে উৎসব বা সরকারি ছুটির দিন হলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে। সপ্তাহের সাত দিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা এই চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারেন।
তিনি বলেন, স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধের সঙ্গে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চলবে।
এদিকে হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পূজার সরকারি ছুটির দিন ছাড়া কাস্টমস স্টেশনের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। ভারতের ব্যবসায়ীদের ছুটির সঙ্গে হিলি কাস্টমসের কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে কাস্টমস অফিস খোলা থাকবে এবং ব্যবসায়ীরা সরকারি শুল্ক-কর পরিশোধ করে বন্দর থেকে তাদের পণ্য সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
