সরকারি বহরে ঢুকছে বৈদ্যুতিক গাড়ি, দাম ৫০-৭৫ লাখ টাকা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকেল এফইভি) অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার। এসব গাড়ির নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন ও বাজারদর বিবেচনায় সর্বোচ্চ মূল্যসীমাও নির্ধারণ করেছে অর্থ বিভাগ।
অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৪ শাখা থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে এ মূল্যসীমার কথা জানানো হয়েছে। এতে বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত স্পেসিফিকেশনের এফইভি কেনার ক্ষেত্রে এই মূল্যসীমা অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ বৈদ্যুতিক কারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। এসব গাড়ির মোটর পাওয়ার কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি সক্ষমতা ৬০ কিলোওয়াট-ঘণ্টা এবং একবার চার্জে অন্তত ৪০০ কিলোমিটার চলার সক্ষমতা থাকতে হবে। পাশাপাশি ব্যাটারির ওয়ারেন্টি কমপক্ষে আট বছর হতে হবে।
গ্রেড-৩ ও তদনিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত বৈদ্যুতিক জিপের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ৫৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে গ্রেড-২ ও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য জিপ কেনায় সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করা যাবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বিধানেও বৈদ্যুতিক মোটরযানের জন্য পৃথক শনাক্তকরণ এবং কিলোওয়াটভিত্তিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা রয়েছে।
অর্থ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যসীমার মধ্যে থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সরকারি বহরে বৈদ্যুতিক গাড়ি অন্তর্ভুক্ত করার ফলে প্রচলিত জ্বালানিচালিত গাড়ির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব যান ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে নির্ধারিত মূল্যসীমার মাধ্যমে সরকারি গাড়ি কেনায় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও থাকছে।
