২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
২০২৭ সালের পবিত্র হজে নির্ধারিত কোটার বাইরে বাংলাদেশ থেকে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর জন্য অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।
এ বিষয়ে রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সংগঠনটি। আবেদনে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
হাবের আবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি সরকার বাংলাদেশকে ২০২৭ সালের হজের জন্য যে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে, তা ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়ে গেছে। এর পরও ২০ হাজারের বেশি মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। এসব হজযাত্রী হজ পালনের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুত বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের হজ কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে হাব।
আবেদনে হাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য নির্ধারিত কোটা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তবে গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে সৌদি সরকার।
সংগঠনটি বলেছে, এবার হজ পালনে আগ্রহীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। এরপরও ২০ হাজারের বেশি মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই হজ পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
হাবের ভাষ্য, নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়ে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক হজযাত্রী এবার হজ পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। তাই অপেক্ষমাণ এসব হজযাত্রীর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার জনের জন্য কোটা বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা ২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেতে পারেন।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের সৌদি কোটা নির্ধারিত রয়েছে। এই কোটার আওতায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশি হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাবেন।
