আরডিএ বগুড়ার ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রঙিন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়ার ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) একাডেমিটি প্রতিষ্ঠার ৫২ বছরে পদার্পণ করে।
দিনটি উদযাপন উপলক্ষে সকালে একাডেমির প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে একাডেমির অডিটোরিয়ামে সর্বস্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে "একাডেমির প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম" বিষয়ক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক ও তাঁর সহধর্মিণী মিজ ফারজানা ফেরদৌসী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং আরডিএ গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন; আরডিএ বগুড়ার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. এম এ মতিন; সাবেক পরিচালক ড. এ কে এম জাকারিয়া; সাবেক পরিচালক ড. মো. আব্দুর রশীদসহ একাডেমির অনুষদ সদস্য ও বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীবৃন্দ। পরে বাদ জুমা একাডেমির জামে মসজিদে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের ১৯ জুন জাতীয় সংসদে ১০ নম্বর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া। আরডিএ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।
প্রতিষ্ঠালাভের পর থেকে এ পর্যন্ত একাডেমি থেকে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ৭ লক্ষাধিক মানুষ প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন। এছাড়া পল্লী উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ওপর ৫০০টির বেশি গবেষণা কর্ম ও ৫৪টির অধিক প্রায়োগিক গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০০টির বেশি পরামর্শ সেবা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আরডিএ তার দীর্ঘ পথপরিক্রমায় উপমহাদেশের স্বনামধন্য ও পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ ড. আখতার হামিদ খানসহ বিভিন্ন বিদগ্ধ ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ ও সান্নিধ্য লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে আরডিএ বগুড়া তার প্রাক্তন ও কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
