টার্গেট ঈদ
নীলফামারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই
মো.রাজীব চৌধুরী রাজু, নীলফামারী থেকে
প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ঈদ-উল-ফিতরকে টার্গেট করে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে উঠেছে মৌসুমি সেমাই কারখানা। ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব কারখানায় জরিমানা চালালেও থামছে না উৎপাদন।
সূত্র বলছে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন ছাড়াই এসব সেমাই কারখানাগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন করা হচ্ছে লাচ্ছা। উৎপাদিত এসব লাচ্ছা বাজারজাত করণে বিধির কোন তোয়াক্কাই করছেন না মৌসুমি সেমাই ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে জেলার সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা এবং সদর উপজেলার কয়েকটি লাচ্ছা উৎপাদনকারী কারখানা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকেরা হ্যান্ডগ্লোবস পরিধান ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের পাম্প তেলে এসব লাচ্ছা ভেজে অবাধে বাজারজাত করছেন লাচ্ছা ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, গেল কয়েক দিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অনুমোদনহীন অনেক কারখানার মালিককে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা উৎপাদন ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন না থাকায় বেশ কয়েকটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু তারপরেও বন্ধ হচ্ছে না এসব কারখানার উৎপাদন ও বাজারজাত।
স্থানীয়রা বলছেন, এক শ্রেণীর অসাধু মৌসুমী লাচ্ছা ব্যবসায়ীরা ঈদ-উল-ফিতরকে টার্গেট করে বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা তৈরির এ মহোৎসব। স্থানীয় প্রশাসন এসব কারখানায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করলেও, বন্ধ হচ্ছেনা উৎপাদন”।
জানতে চাইলে, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত কল্পে পুরো রমযান মাস জুড়েই বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমান আদালত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
