‘সিজেপি’-কে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান মুকেশ খন্নার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের অভিনেতা মুকেশ খন্না আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) কে ‘আরশোলা’ আখ্যা দিয়ে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান প্রজন্মের হাতে ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব গেলে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে মুকেশ খন্না বলেন, তিনি বর্তমানে ভারতের বাইরে থাকলেও ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন। কয়েক দিন আগে তিনি ‘জেন জি’ প্রজন্ম নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। তার ভাষ্য, আগামী ২৫ বছর পর যদি এই প্রজন্ম দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।
ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেন, ‘সিজেপি’ প্রকৃতপক্ষে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করছে না। বরং কোনো একটি পক্ষ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে আন্দোলনে নামিয়েছে এবং তাদের দিয়ে সরকারবিরোধী ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করানো হয়েছে। তার দাবি, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় নয়, বরং সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা।
মুকেশ খন্না আরও বলেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস, এটি একটি অর্থায়নকৃত আন্দোলন এবং এর পেছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করছে। যদিও এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
আরও পড়ুন: শারীরিক-মানসিক হেনস্থার অভিযোগে অভিনেত্রীর মামলা
ভিডিওতে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এরা সত্যিই আরশোলা। যেমন বাড়ি থেকে আরশোলা তাড়িয়ে দেওয়া হয়, তেমনি এদেরও তাড়িয়ে দেওয়া উচিত।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন অভিনেতা। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে চাকরি, ভিসা কিংবা সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সময় থাকতে তাদের এ ধরনের কার্যক্রম থেকে সরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ভিডিওটির ক্যাপশনেও তিনি একই বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে লেখেন, ‘দেরি হওয়ার আগেই এই আরশোলাদের ছুড়ে ফেলে দিন।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীদের সমালোচনা করেছিলেন মুকেশ খন্না। তার নতুন এই মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
