×

প্রথম পাতা

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ে বাঁচার আকুতি, আসছে না উদ্ধারকর্মী

Icon

মিলিতা বাড়ৈ মুন্নি

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ে বাঁচার আকুতি, আসছে না উদ্ধারকর্মী

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা ও কারাকাস অঞ্চলে শত শত ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বহু মানুষ, যাদের বাঁচার আকুতি ও উদ্ধারের অপেক্ষায় স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলেছে, পরপর শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পের আঘাতে ভেনেজুয়েলায় ১০ হাজার থেকে ১ লাখ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

এর আগে গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৩৯ সেকেন্ডের মাথায় কারাকাস থেকে পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৯৭১ জন। এএফপিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে রদ্রিগেজ বলেন, ‘কয়েক ডজন ভবন ধসে পড়েছে। আমরা বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছি। যত বেশি সম্ভব প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছি। লা গুয়াইরা রাজ্য এখন এক সত্যিকার ট্র্যাজেডির নাম এবং এটি একটি দুর্যোগপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০টি আফটারশক (পরাঘাত) রেকর্ড করা হয়েছে।’

ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাস, লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো ও ফ্যালকন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অসংখ্য বহুতল ভবন ধসে পড়েছে। গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা। এই সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস স্থগিত থাকবে। কারাকাসের উপকণ্ঠে অবস্থিত মাইকুয়েতিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছাদের একাংশ ধসে পড়ায় সেটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেলসি রদ্রিগেজ।

এ ঘটনায় দেশবাসীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন নির্বাসিত বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘এই দুঃসময়ে প্রতিটি ভেনেজুয়েলান পরিবারের জন্য আমার আন্তরিক আলিঙ্গন এবং প্রার্থনা রইল। এই কঠিন সময়ে আমাদের মধ্যে শক্তি, স্থিরতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বিজয়ী হোক।’

মূলত গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় সরকারি ছুটির দিন ছিল। সেন্ট জন দ্য ব্যাপটিস্ট দিবস এবং স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের স্মরণে দিনটি পালন করা হচ্ছিল। ফলে অনেক মানুষ বাড়িতে অথবা বিভিন্ন জনসমাগমে উপস্থিত ছিলেন। ভূমিকম্পের ঠিক আগমুহূর্তে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একটি সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার লাখ লাখ মানুষ। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে ভবনগুলো ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

ভূমিকম্পের কবলে পড়া কারাকাসের ২৫ বছর বয়সী বাসিন্দা আলেজান্দ্রো রুইজ গার্সিয়া আল-জাজিরাকে বলেন, ‘ভূমিকম্প আঘাত হানার এক সেকেন্ডেরও কম সময় আগে গুগলে একটি সতর্কবার্তা পাই। ওই সময় সবকিছু কাঁপতে থাকে। মুহূর্তেই আমি আমার বাড়ির একটি দেয়ালে ফাটল দেখি। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর মুহূর্ত ছিল। আমি আমার পরিবার ভবন থেকে নিরাপদে বের হয়ে যেতে সমর্থ হই। কিন্তু বাইরে দেখি অনেক ভবন ধসে পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যখন আমি আমার দাদিকে আনতে যাচ্ছিলাম। আশপাশের ভবনগুলো পুরো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। দেখে মনে হচ্ছিল এটি কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি। আমি শুনতে পাচ্ছিলাম, যারা আটকা পড়েছেন তারা বের হওয়ার জন্য চিৎকার ও শব্দ করছিলেন। আমার অনের আত্মীয় ও প্রতিবেশীরা ভবনের নিচে চাপা পড়েন।’

আলেজান্দ্রো রুইজ গার্সিয়া বলেন, ‘ধীরে ধীরে ধ্বংসস্তূপের নতুন নতুন চিত্র সামনে আসছে। যা আগের চেয়ে আরো ভয়ংকর। সত্যি বলতে এ দিনটি ভেনেজুয়েলার জন্য কালো একটি দিন।’

কাতিয়া লা মার শহরের ল্যারি রোজাস নামে ৪৯ বছর বয়সী এক নারী বলেছেন, ‘আমাদের আর কিছুই নেই। একটু শক্তিও নেই ধসে পড়া ভবনের কাছে যাওয়ার।’ তিনি তার ধসে পড়া বাড়ির সামনে বসে আছেন। এর ভেতর তার বেশ কয়েকজন আত্মীয়স্বজন আটকা পড়ে আছেন।

একই শহরের আরেক নারীর এক মেয়ে ১২ তলা উঁচু একটি ভবনের নিচে আটকা পড়ে আছে। কিন্তু ভূমিকম্পের পর ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তার মেয়েকে কেউ উদ্ধার করতে আসেনি। তিনি বলেছেন, ‘ধসে পড়া ভবনের নিচে জীবিত মানুষ আছেন। কিন্তু তাদের বাঁচাতে কেউ আসছেন না।’

সিএনএনের যাচাই করা একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, কারাকাস, উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ের ঢালে কয়েকটি ভবন ধসে পড়ার দৃশ্যও দেখা গেছে। আতঙ্কিত বাসিন্দাদের পরিবার ও পোষা প্রাণী নিয়ে ভবন থেকে বের হয়ে রাস্তায় জড়ো হতে দেখা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন থেকে বেরিয়ে আসা কারাকাসের এক বাসিন্দা বলেন, পুরো দৃশ্য যেন কোনো ভৌতিক চলচ্চিত্রের মতো ছিল।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

এদিকে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় বহু পরিবারের উদ্বেগ আরো বেড়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে দেশ ছেড়ে যাওয়া ৭৭ লাখের বেশি ভেনেজুয়েলান তাদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

এমনই একজন স্বজন ভ্যালেন্তিনা ওরোপেজা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির সাংবাদিক। তার বোন ভেরোনিকা মায়ের সঙ্গে কারাকাসে থাকেন। ঘটনার সময় তার হোয়াটসঅ্যাপে একটি অডিও বার্তা আসে। বার্তা প্রেরণকারীর কণ্ঠে ছিল আতঙ্ক, যেখানে বলা হয়েছিল ‘বাড়িটা ভয়ংকরভাবে কেঁপে উঠল, এখনো কাঁপছে, আমরা মরে যাচ্ছি।’ এখানেই অডিও বার্তাটি শেষ। আতঙ্কিত ভ্যালেন্তিনা তখনো জানতেন না ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের আঘাত হেনেছে। তাৎক্ষণিকভাবে ভেনেজুয়েলায় থাকা মা-বোনকে ফোন করেন ভ্যালেন্তিনা। কিন্তু তাদের কোনো সাড়া মেলেনি।

দূরদেশে বসে বুক ধরফর করতে থাকে ভ্যালেন্তিনার। ওই সময় কারাকাসের সাংবাদিকদের একটি চ্যাট গ্রুপে তার চোখে পড়ে এবং ভূমিকম্পের খবর জানতে পারেন তিনি। এ সময় এক বন্ধু তাকে একটি ভিডিও পাঠান। যেটিতে লস পালোস গ্রান্দেস এলাকার একটি ভবন মুহূর্তে বিস্কুটের মতো ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। ভিডিওটি দেখেই যেন বুক ধক করে ওঠে ভ্যালেন্তিনার। তিনি বলেন, ‘ভবনটি দেখেই আমি চিনতে পেরেছি। মা ও বোন ভেরোনিকা যেখানে থাকে, সেখান থেকে ভবনটি মাত্র কয়েক মিটার দূরে।’

এরপরই ভ্যালেন্তিনা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বজনদের অপেক্ষায় করেন ছটফট। স্মার্টফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বিভিন্ন জায়গায়। এভাবে চলতে থাকে দুই ঘণ্টা। ভ্যালেন্তিনা জানান, ওই দুই ঘণ্টা তার জন্য নরকযন্ত্রণার সমান। কারণ তিনি যে ভিডিওগুলো দেখছিলেন সেখানে কোথাও দেয়াল ধসে পড়ে আছে, কোথাও মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, কোথাও উদ্ধারকর্মীরা ছুটছেন ধ্বংসস্তূপের দিকে। এসব দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। তবে পড়ে স্বজনদের সন্ধান পান তিনি। বলেন, ‘আমি খুব ভাগ্যবান, কারণ আমার মা ও বোন দুজনেই বেঁচে আছেন, ভালো আছেন।’ শুধু ভ্যালেন্তিনাই নন, তার মতো এমন উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন লাখ লাখ স্বজন।

কারাকাসের পূর্বাঞ্চলের চাকাও-এর মেয়র গুস্তাভো দুকে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এখানে দুটি স্থাপনা ভেঙে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনজন নিহত ও ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মেয়র বলেন, ‘আমরা যত বেশি সম্ভব মানুষকে উদ্ধার করতে সাধ্যমতো সবকিছু করব।’

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ‘আমাদের অনেক ভবন ও বাড়িঘর ধসে পড়েছে। নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি। দমকল-পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’

অন্যদিকে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে যখন ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস কেঁপে উঠেছে, তখন লাতিন আমেরিকার অন্য দুই দেশ ব্রাজিল ও কলম্বিয়া থেকেও তা টের পাওয়া গেছে। ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে জানায়, দেশটির কিছু অংশে ভূকম্পন টের পাওয়া গেছে। সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। জোড়া ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় কোনো ব্রাজিলীয় নাগরিকের হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ব্রাজিল ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ২ হাজার ১০০ কিলোমিটারের বেশি সীমান্ত রয়েছে। আল-জাজিরার খবর, কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা থেকেও ভূকম্পন টের পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এমন একসময়ে ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানল, যখন দেশটি গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন বাহিনীর হাতে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো আটক হওয়ার পর একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। কয়েক বছরের লাগামহীন মূল্যস্ফীতিতে দেশটির অর্থনীতিও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তবে এমন পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলাকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলাকে ‘মহান বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প, ‘ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প নিয়ে এ পর্যন্ত যেসব তথ্য আমরা পেয়েছি, তাতে এটা স্পষ্ট যে সেখানকার পরিস্থিতি ভালো নয়। এই দুর্যোগ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে সব ধরনের সাহায্য, সহযোগিতা করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম। আমি আমাদের সব সরকারি সংস্থাকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি। আমরা আমাদের নতুন এবং মহান বন্ধুদের পাশে থাকব।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্দাও বলেছেন, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং সহায়তা কার্যক্রম সংগঠিত করছি।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ইরানকে অপেক্ষায় রেখে নকআউটে মিসর

ইরানকে অপেক্ষায় রেখে নকআউটে মিসর

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপসেরা বেলজিয়াম

নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপসেরা বেলজিয়াম

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধের দাবি, আইসিসিতে বুলবুলের চিঠি

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধের দাবি, আইসিসিতে বুলবুলের চিঠি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App