×

প্রথম পাতা

গুলশান হামলার ১০ বছর

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা

গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ১০তম বছরে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শূন্য সহিষ্ণু নীতির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলশানে ইতালির রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। সেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, হামলা থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, এ ধরনের শক্তির কোনো স্থান বাংলাদেশে নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার সুযোগ কখনোই তাদের দেয়া হবে না। হোলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত সেই মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলা এখনো আমাদের স্মৃতিতে জ¦লজ¦ল করছে। এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলোর একটি, বলেন তিনি। হামলাটিকে বাংলাদেশের প্রাণবন্ত, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজে ভয়, ঘৃণা ও বিভাজন সৃষ্টির একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এরপর থেকে বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলায় হোল-অব-গভর্নমেন্ট ও হোল-অব-সোসাইটি পদ্ধতি নিয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, নাগরিক সমাজ, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের ওই বেকারিতে জঙ্গিদের হামলায় মোট ২৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন সাত বাংলাদেশি, নয় ইতালীয়, সাত জাপানি ও এক ভারতীয় নাগরিক। তাদের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে একটি নামফলকের সামনে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত উপরাষ্ট্রদূত আলবার্ট সিয়া, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ রামাদান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, ২৪ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়া সেই নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। ইতালীয়রা বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আর জাপানি নাগরিকরা জাইকার মাধ্যমে ঢাকার মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করছিলেন। অনুষ্ঠানে ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলার একটি বার্তাও পাঠ করে শোনান রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ইতালির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বার্তায় বলা হয়, সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়াতে ও বিভাজন সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে মানুষের মধ্যে সংহতির বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে ও বিভিন্ন জাতির মধ্যে সংলাপের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা আরো বেড়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

সেতুমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই

আরব সাগরে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিখোঁজ ১

আরব সাগরে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিখোঁজ ১

ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় বাড়ছে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসংকট

ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় বাড়ছে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসংকট

তেজগাঁওয়ে  বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬১

তেজগাঁওয়ে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬১

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App