সাত জেলায় বন্যা
প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা, বাড়ছে দুর্ভোগ
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
দেশের ১১ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। নদ-নদীগুলোতে বাড়ছে পানি। কয়েকটি নদীর পানি বইছে বিপৎসীমার উপর দিয়ে। এতে আরো প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ডুবে যাচ্ছে বাড়ি-ঘর, বিস্তীর্ণ এলাকা। পাহাড়ও ধসে পড়ছে। সরকারের হিসাবে এখন পর্যন্ত সাত জেলার ৫৮টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব এলাকায় ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার। দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন। বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ ক্রমশ বাড়ছে। তাদের নিরাপদ খাবার পানি ও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। পড়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেও। এদিকে সাত জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বন্যার্ত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ৬৪ জেলায়ই বরাদ্দ করা হয়েছে ত্রাণসামগ্রী। একইসঙ্গে টানা সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার, নিরাপত্তা ও ত্রাণ বিতরণ কাজে বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রায় সারাদেশেই সপ্তাহখানেক ধরে ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলার নদ-নদীদে পানি বেড়ে সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি। দুর্যোগে পাহাড় ধসে পড়ছে। অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ি-ঘর ডুবে যাচ্ছে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে বাসিন্দাদের। পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী প্রদীপ কুমার সঞ্জীব জানান, বাজারের পাশেই তাদের বাড়ি। কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে প্রচুর বৃষ্টিতে এলাকার কৃষি জমি ডুবে গেছে। গতকাল তাদের বাড়িতে পানি উঠেছে প্রায় এক ফুট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন তারা। এরকম পরিস্থিতি এলাকার বেশিরভাগ বাড়ির। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দোকান-পাটও তেমন খোলা যাচ্ছে না। বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজমান আছে। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগ, উজানে আসাম, মেঘালয় প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
৩ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে : অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে সাঙ্গু, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এর মধ্যে সিলেট বিভাগ এবং উজানে আসাম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস রয়েছে। তাতে করে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিতে পারে।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহান জানান, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও চট্টগ্রামের দোহাজারী স্টেশনে যথাক্রমে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ও ১৪ সেন্টিমিটার এবং কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে যথাক্রমে বিপৎসীমার ১৪ ও ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোনার কলমাকান্দা স্টেশনে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরী, ফেনী, সোনাগাজী, হালদা নদীর পানি কিছু কিছু স্থানে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আশপাশের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এসময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুয়াই-কংস নদীর পানি বেড়ে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুরমা নদীর আশপাশের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাতে নদীর আশপাশে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
বর্তমানে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি গেজ স্টেশনের মধ্যে ৬৬টি পয়েন্টে পানি বেড়েছে এবং ৬০টি পয়েন্টে কমেছে।
১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি সদরদপ্তর জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড়ে দুর্যোগকবলিত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
বিজিবি জানায়, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উল্লিখিত জেলাগুলোতে মোট ৯০টি পয়েন্টে বিজিবির সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বান্দরবানের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২ পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বিজিবি। পাশাপাশি বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উপড়ে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বিজিবি।
এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতু রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।
বিজিবি আরো জানায়, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে সমন্বিত উদ্যোগ, দ্রুত সাড়া এবং মানবিক সহায়তাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তারা সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাদুর্গত মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিজিবির উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বন্যায় ৫১ জনের মৃত্যু : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে গতকাল রবিবার দুপুরে জানানো হয়, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব জেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, জলাবদ্ধতা এবং পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। আহত হয়েছেন ২৪ জন। এরমধ্যে ১৯ জন স্থানীয় এবং পাঁচ জন রোহিঙ্গা। নিখোঁজ রয়েছেন আরো একজন। চট্টগ্রামে ১৩ জনের মৃত্যু এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। বান্দরবানে ছয় জন নিহত ও দুই জন আহত হয়েছেন। রাঙ্গামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়িতে একজন আহত হওয়ার তথ্য দেয়া হলেও কোনো প্রাণহানির কথা জানানো হয়নি। হবিগঞ্জেও হতাহতের তথ্য নেই।
চট্টগ্রামে পাঁচ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ এবং এক লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা এক লাখ ৫৮ হাজার ২৭ এবং পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৫০৬টি। খাগড়াছড়িতে ৩৪ হাজার ৪১৭ জন, হবিগঞ্জে ২৮ হাজার ১৪০ জন, মৌলভীবাজারে ২৬ হাজার ৫৪৪ জন, বান্দরবানে আট হাজার ৩৫০ জন এবং রাঙ্গামাটিতে তিন হাজার ৫২৪ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে সাত জেলায় মোট এক হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে চট্টগ্রামে। এসব কেন্দ্রে ২১ হাজার ৯০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। বান্দরবানের ২২০টি কেন্দ্রে ছয় হাজার ২৫০ জন, রাঙ্গামাটির ৫০টি কেন্দ্রে তিন হাজার ৬৩৭ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৮৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া মৌলভীবাজারের ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুই হাজার ১৭২ জন এবং কক্সবাজারের ২৭টি কেন্দ্রে এক হাজার ৫৮০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ৭ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল ছাড় করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা ও এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কক্সবাজারের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, রাঙ্গামাটির জন্য ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং খাগড়াছড়ির জন্য ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন চাল ছাড় করা হয়েছে।
বান্দরবানের জন্য ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন চাল, মৌলভীবাজারের জন্য ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং হবিগঞ্জের জন্য ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলার জন্য সাধারণ ও দুর্যোগকালীন সহায়তা হিসেবে মোট চার কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং আট হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল ছাড় করেছে মন্ত্রণালয়। বন্যাকবলিত সাত জেলার বাইরে অন্য ৫৭ জেলার জন্য জেলাপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন চালের সাধারণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন চাল, ৬০ লাখ টাকা, ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বান্দরবানে ৬৮ মেট্রিক টন চাল, দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২৩৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য এবং দুই হাজার ৯৫৩ প্যাকেট রান্না করা ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সেখানে আরো এক হাজার ৮৪৫ প্যাকেট শুকনো খাবার দিয়েছে।
মৌলভীবাজারে এক হাজার ৭৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ১১০ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। হবিগঞ্জে ১০ মেট্রিক টন চাল, এক লাখ ২০ হাজার টাকা এবং এক হাজার ৪১৭ প্যাকেট শুকনো ও অন্যান্য খাবার বিতরণের তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
