×

প্রথম পাতা

বাযুদূষণ সূচকে ঢাকার অবস্থান ১৮তম

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ওপরের দিকে যেন অনেকটা পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে মেগাসিটি ঢাকা। মাঝে মাঝে দূষণের মাত্রা কমে অবস্থার পরিবর্তন হলেও তা খুবই কম সময়ের জন্য। সকালের দিকে দূষণের মাত্রা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূষণের মাত্রা বাড়তে থাকে। গতকাল শনিবার সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ৮৬। আর বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ১৮তম।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে ছিল কঙ্গোর কিনশাসা। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৮৮। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা উগান্ডার কামপালার স্কোর ছিল ১৭৩। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কোর ছিল ১৪৯। চতুর্থ অবস্থানে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহর। যার বায়ুমান স্কোর ছিল ১৪৯। আর তালিকার পঞ্চম অবস্থানে থাকা বাহরাইনের রাজধানী মানামার স্কোর ছিল ১৩৭।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো একটি এলাকা বা শহরের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান অনেক ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুদূষণের প্রধান উৎস হলো যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলাবালি, ইটভাটা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন। তাদের মতে, এসব উৎস থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ না নিলে বায়ুর মানে স্থায়ী উন্নতি আনা সম্ভব নয়।

আবহাওয়া ও বায়ুদূষণ সম্পর্কিত তথ্যে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বর্ষাকালে নিয়মিত বৃষ্টিপাতের ফলে বাতাসে ভেসে থাকা ধুলাবালি ও ক্ষতিকারক কণা ধুয়ে মুছে যায়, যার কারণে সাময়িকভাবে বায়ুর মানের কিছুটা উন্নতি ঘটে। তারা বলেন, সাময়িক বৃষ্টিতে বাতাস কিছুটা পরিষ্কার হলেও যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের ধুলাবালি, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং লাগামহীন নগরায়ণের ফলে ঢাকার বায়ুদূষণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উপাদান হলো বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২.৫-এর উপস্থিতি। ঢাকার বাতাসে এর উপস্থিতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩৪ গুণ বেশি। ডব্লিউএইচও’র মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণের কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

রাজধানীতে অপরাধ বিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৩১

রাজধানীতে অপরাধ বিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৩১

ব্যবসায়িক বার্তা আলাদা রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

ব্যবসায়িক বার্তা আলাদা রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

৮৫ রানেই ইতিহাস গড়ে শিরোপা জিতল গায়ানা

৮৫ রানেই ইতিহাস গড়ে শিরোপা জিতল গায়ানা

সকালে ঘুমের ভাব? জানুন ক্লান্তি কাটানোর সহজ উপায়

সকালে ঘুমের ভাব? জানুন ক্লান্তি কাটানোর সহজ উপায়

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App