মার্কিন বিনিয়োগে ইতিবাচক বার্তা
মার্কিন বিনিয়োগকারী একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসবে আগামী সপ্তাহে
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দৃঢ় আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। এটি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যাবে। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। দুই দেশের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা আছে। আগামী সপ্তাহে মার্কিন বিনিয়োগকারী একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসবে। ঢাকায় মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই একটি ইউএস ইনভেস্টর সামিট আয়োজন করতে আগ্রহী। এমন প্রত্যাশার বার্তা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর বলেছেন, আমরা একসঙ্গে অনেক কিছু করতে পারি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে গতকাল শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে ঢাকায় সফররত সার্জিও গোরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় এবং প্রধানমন্ত্রী উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।
এতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, রোহিঙ্গা সংকট, খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) কার্যক্রম ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশন (ডিএফসি)-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সার্জিও গোরের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গমসহ কৃষি ও অন্যান্য খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত উষ্ণ ও হৃদ্যতামূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ দূত সার্জিও গোর দেশ পরিচালনায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
বিশেষ দূত সার্জিও গোর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। তার নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দৃঢ় আস্থা আছে। সেই আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) ইতিবাচকভাবে সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যাবে যে, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত।
বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন যে, বাংলাদেশে ডিএফসি-এর বিনিয়োগ সহযোগিতা স¤প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবে কাজ করবে। ঢাকায় মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই একটি ইউএস ইনভেস্টর সামিট আয়োজন করতে আগ্রহী। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত নিজে কাজ করছেন বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন।
তিন দিনের সফরে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসেন সার্জিও গোর। গেল সেপ্টেম্বর থেকে ভারতে রাষ্ট্রদূতের পাশাপাশি এই অঞ্চলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা তার এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর। তিনি শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীসেশ ত্রিবেদীসহ বিভিন্ন বৈঠক করেছেন। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।
বিনিয়োগের আহ্বান : উপ-প্রেস সচিব বলেন, ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত। তিনি প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এ বিষয়ে বিশেষ দূত উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র প্যাক্স সিলিকা নামে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক একটি উদ্যোগ চালু করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট জ্যাকব হেলবার্গের নেতৃত্বে এটি প্রযুক্তিগত নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য মিত্র দেশগুলোকে একত্রিত করে।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা স¤প্রসারণ, আগামী মাসে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফর প্রভৃতি বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে উপ-প্রেস সচিব শাহাদৎ স্বাধীন।
সার্জিও গোর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার অফিসে একটি খুব ভালো বৈঠক শেষ করেছি। যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয়। আমরা যেমনটি আলোচনা করেছি, আমাদের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা দেখেছি এর মধ্যে, কিছু ইতোমধ্যে, এই সপ্তাহে দেখেছি। আমরা বাংলাদেশের জন্য আমাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি কমিয়ে দিয়েছি, যাতে মানুষকে পর্যটক হিসেবে এবং বিনিয়োগে আগ্রহী হিসেবে এখানে আসতে উৎসাহিত করা যায়।
তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানিগুলোর একটি প্রতিনিধি দল সফর করতে যাচ্ছে। আমরা যে বার্তাটি নিশ্চিত করতে চাই তা হচ্ছে, আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস্য সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে। আমরা এই সম্পর্ক তৈরি করতে এবং পরবর্তী স্তরে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে : প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব স্বাধীন বলেন, বৈঠকে বিশেষ দূত কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার আগের দিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে আসে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন সার্জিও গোর। এই লক্ষ্যে আসিয়ান প্রতিবেশী দেশসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার রেহান আসিফ আসাদ, মাহদী আমিন। এসময় ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন : এদিকে গতকাল বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সাক্ষাতের বিষয়বস্তু তুলে ধরে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরত এসেছে। একটা সুন্দর গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বহমান রয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে নীতিগুলো নিয়েছেন, সেটিকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়, বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে সুসম্পর্ক রয়েছে- বহুমাত্রিক এবং বহুপক্ষীয়, সেই সম্পর্কটাকে একটা ডিপ অ্যান্ড ইকোনমিক টাইজের মাধ্যমে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বলেছে, এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে কীভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, বাণিজ্য বাড়ানো যায়, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে ভূমিকা রাখে এবং বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকে কীভাবে নীতি সহায়তা দেয়া যায়- এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, রপ্তানি ও আমদানি কীভাবে বাড়ানো যায়, সেগুলো নিয়েও যেমন বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তেমনি সামনের দিনগুলোতে মার্কিন বিনিয়োগ যেন বাড়ে, তার একটি প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ২৫টি শিল্প এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৪৫ জন ব্যবসায়িক নেতারা বা প্রথম সারির কর্মকর্তা বাংলাদেশে আসবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর এবং তার নেতৃত্বের ওপর বিশ্বব্যাপী আস্থার প্রতিফলন হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বাংলাদেশে তার নাগরিকদের ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করার বিষয়টি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ মার্কিন বিনিয়োগকারী এবং সবার জন্য উন্মুক্ত, এ কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য সবাই যেন এখানে আসেন এবং এদেশ গণতান্ত্রিক যাত্রায় কীভাবে বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে পারছে, সেটি যেন সবাই খুঁজে দেখেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটি একটি ভিন্ন মাত্রায় যাবে এবং তার ওপর ভিত্তি করে আমরা আরো বেশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এখানে আকৃষ্ট করব। বাংলাদেশে ইনশাল্লাহ আরো বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে। আমাদের যে মাল্টি ফ্যাসিলিটেড অ্যাটাচমেন্ট রয়েছে, যে অপরচুনিটি রয়েছে, একটা পার্টনারশিপের মাধ্যমে এটাকে ইনশাআল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
মাহদী আমিন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিক এ পথযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র একটি বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে ছিল, বাংলাদেশের সঙ্গে থাকবে, পাশে থাকবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি যে আস্থা ওনারা প্রদর্শন করেছেন, যে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন সেটার জন্য আমরা সাধুবাদ জানাই।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক।
