×

প্রথম পাতা

বঙ্গভবনে কে যাচ্ছেন জানা যাবে আজ, শপথ শুক্রবার

Icon

হরলাল রায় সাগর

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বঙ্গভবনে কে যাচ্ছেন জানা যাবে আজ, শপথ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট আজ বৃহস্পতিবার। জাতীয় সংসদের সংসদ সভা কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ৩৪৯জন ভোটার রয়েছেন। নির্বাচনের সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে ইতোমধ্যে। এই ভোটে নির্ধারিত হবে পাঁচ বছরের জন্য বঙ্গভবন কিংবা রাষ্ট্রের অধিপতি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্ব›িদ্বতা করায় ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনি কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলের মনোনীতি প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী ১১ দলীয় ঐক্যের এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তবে ভোটাভুটি হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির প্রার্থীই ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন তা নিশ্চিত। তারপরেও কৌতুহল রয়েছে জনমনে। এমনকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্বও। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনের দিকে বিশ্ব তাকিয়ে আছে। এদিকে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল স্থগিত এবং ভোটার হওয়ার আবেদন জানিয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজ হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনগত আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইনকর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। এছাড়া সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি সরকার গঠনের ৬ মাসের মাথায় গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি

নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছিল জুলাই আন্দোলনকারী কয়েকটি সংগঠন। তবে সাংবিধানিক সংকট হওয়ার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত ইউনূস সরকার ও আন্দোলনকারীরা পিছু হটে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পর আবারো রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। শেষ যাত্রায় নানা ঘটনার পর মেয়াদের ২১ মাস বাকি থাকতেই তিনি ‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সরকার। এলক্ষ্যে গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন দলটির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মনোনয়ন ঘোষণার পরই তিনি দলীয় ও মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে শরিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের প্রার্থী মনোনীত করা হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী হলে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। আর একাধিক প্রার্থী হলে ভোটাভুটির আয়োজন করতে হয়।

ভোটের প্রস্তুতি : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন না থাকায় নির্বাচনী কর্তা আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় সংসদ কক্ষে বৈঠক ডাকবেন, চলবে ৫টা পর্যন্ত। এই বৈঠকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিবেন। প্রথমে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং বিরোধী দলীয় নেতা ভোট দিবেন। এই ভোট সরাসরি সম্প্রচার হবে টেলিভিশন চ্যানেলে। তারপরে ভোট গণনা শুরু। ভোট গণনাও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ভোট গণনার সময়ও থাকতে পারবেন। ফলাফল ঘোষণা করবেন নির্বাচনী কর্তা। ফল ঘোষণার পরই ওই দিন এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচনী কর্তাকে সহায়তায় ইসির ২০ জন সহায়ক কর্মকর্তা থাকবেন, সঙ্গে সংসদ সচিবালয়ের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োজিত হবেন। চার নির্বাচন কমিশনারও ভোট দেখতে সংসদে যাওয়ার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল বুধবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন নির্বাচনী কর্তা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। গতকাল নির্বাচন কমিশনের নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, বিশ্ববাসী এ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে যে, কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন। তবে প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ ধরনের নির্বাচনে আমাদের দক্ষতা খুব বেশি নয়। তারপরও যা কিছু সম্ভব, আমরা সব করেছি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশনের কোনো ঘাটতি নেই। এ ব্যাপারে আমরা সবার সহযোগিতা পাচ্ছি।

তিনি বলেন, সিইসি বা নির্বাচনি কর্তা হিসেবে যাচাই-বাছাই শেষে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটিই চূড়ান্ত। আর ভোটের দিনই ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। এ সময় ভোট দেয়ার পর ভোটাররা সংসদে অবস্থান করতে পারবেন এবং গণনার সময়ও তারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। এটা খুব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হবে। সুতরাং এখানে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।

নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথম দিকে যখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং বিরোধী দলীয় নেতা ভোট দিবেন তখন লাইভ টেলিকাস্ট হবে। তারপরে আমরা ৫টার সময় ভোট গণনা শুরু করলে আবারো লাইভ টেলিকাস্ট হবে।

ভোটার সংখ্যা : এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯ জন। এরমধ্যে ৫০জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য। বাকি ২৯৯জন সাধারণ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। চট্টগ্রাম-৪ আসনে নির্বাচিত ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা আদালতের রায়ে বাতিল হওয়ায় তিনি শপথ নিতে পারেননি। ফলে আসনটি শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক সমীকরণে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে ২৪৭ এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। সংখ্যার এই ব্যবধানে জয়-পরাজয় নিয়ে কার্যত কোনো অনিশ্চয়তা নেই। মির্জা ফখরুলের জয় প্রায় নিশ্চিত। এরপরো ভোটটিতে রাজনৈতিক প্রতিদ্ব›িদ্বতা আছে। তবে সেটি ফলাফলের চেয়ে অলি আহমদ কত ভোট পান, বিরোধী জোটের ৯০টি ভোট অটুট থাকে কিনা এবং দুই শিবিরের বাইরের সংসদ সদস্যরা কোন দিকে যান- এসব ঘিরে জল্পনা-কল্পনা।

দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরের বাইরে থাকা ১২ সদস্যের মধ্যে তিনজন বিএনপির মিত্র গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্য একজন। বাকি আটজন স্বতন্ত্র; তাদের প্রায় সবাই একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এই সমীকরণে মির্জা ফখরুলের জয় প্রায় নিশ্চিত হলেও বাকি ১২টি ভোট রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অলি আহমদ স্বতন্ত্র কিংবা ইসলামী আন্দোলনের ভোট টানতে পারলে বিরোধী জোট সেটিকে রাজনৈতিক অর্জন হিসেবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে মির্জা ফখরুল বিএনপির বাইরের ভোট পেলে ক্ষমতাসীন দল তার প্রতি বৃহত্তর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার বার্তা দিতে পারবে। অলি আহমদের সামনে মূল লক্ষ্য তাই রাষ্ট্রপতি হওয়া নয়; নিজের জোটের ভোট অটুট রেখে এর বাইরে কতটি ভোট পাওয়া যায়, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন না বলে হুশিয়ারি দিয়েছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। গত ১১ আগস্ট এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর আছে। ফলে কেউ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন, তাহলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সে কারণে পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন না।

নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : গতকাল বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অ?্যাটর্নি জেনারেল ব?্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্বিঘেœ অনুষ্ঠান হওয়ার ক্ষেত্রে আইনি কোনো বাধা নেই।

এদিকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজের পর এবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন আইনজীবী। এ তথ্য জানিয়েছেন আবেদনকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে অ্যাডভোকেট ইউনূছ আলী আকন্দের করা রিট মঙ্গলবার খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন জানানো হয়।

এছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা ভোটার হওয়ার নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী সাইফুল আলম ফুয়াদের করা রিট গতকাল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফুয়াদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসন থেকে প্রার্থী ছিলেন। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপতির শপথ শুক্রবার সন্ধ্যায় : নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরদিন আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন সংসদে সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, আগামী ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমাদের দিক থেকে প্রস্তুতিতে কোনো অসুবিধা নেই।

৩৫ বছর পর ভোট : সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সংসদ সভা কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ওই সময়ে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী। ১১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরীকে (৯২ ভোট) পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১৭২ ভোট। এরপর আর কোনো ভোট হয়নি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে। ক্ষমতাসীন সরকার দলীয় প্রার্থী দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে। তবে ৩৫ বছর পরে আবার ভোট হতে যাচ্ছে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

৫ আমেরিকানসহ ও ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান নিহত

কেনিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত ৫ আমেরিকানসহ ও ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান নিহত

বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্থিতিশীলতা

বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্থিতিশীলতা

মার্কিন নৌ অবরোধে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে ইরানের

মার্কিন নৌ অবরোধে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে ইরানের

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিন

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিন

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App