×

শেষের পাতা

৬৬ কেজি সিসা জব্দ

সিসার সাম্রাজ্যে ডিএনসির হানা, গ্রেপ্তার ৩

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুক পেজ খুলে অনলাইনে সিসা বিক্রি, অর্ডার নিত কুরিয়ারে, আর মূল্য পরিশোধ হতো মোবাইল ব্যাংকিংয়ে। এমন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে প্রায় ৬৬ কেজি সিসা, হুঁকা, কয়লাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে, যা এক অভিযানে দেশে জব্দ হওয়া সর্বোচ্চ পরিমাণ সিসা বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। গ্রেপ্তাররা হলেন যমজ দুই ভাই আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪) এবং তাদের সহযোগী মো. মাকসুদ আলম (৪০)।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, দুই ভাই কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দুই কেজি সিসার দুটি চালান ক্রেতাদের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরপর বসুন্ধরা ও মালিবাগ এলাকা থেকে এক কেজি করে দুটি পার্সেল জব্দ করা হয়। পার্সেলের প্রেরকের ঠিকানা অনুসরণ করে গুলশানের কালাচাঁদপুরের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা ও ২০টি হুঁকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই ভাই জানান, তাদের বড় চালানের সরবরাহকারী মাকসুদ আলম। পরে ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে আরো ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুঁকা উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে সিসা সেবনে ব্যবহৃত ৪০ কেজি কয়লা ও ব্যবসায় ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, আহমেদ শরীফি ও মেহদাদ শরীফির মা-বাবা ইরানের নাগরিক। ব্যবসায়িক কারণে তারা বাংলাদেশে আসেন ও দুই ভাইয়ের জন্ম এখানেই। নিয়মিত ইরানে যাতায়াতের সময় তারা সিসার বাজার, সরবরাহব্যবস্থা ও ব্যবসায়িক কৌশল সম্পর্কে ধারণা নেন। পরে দেশে ফিরে ফেসবুকভিত্তিক একটি অনলাইন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন ও ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় এর কার্যক্রম বিস্তৃত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ফেসবুক পেজে পণ্যের ছবি প্রকাশ, গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্ডার নেয়া ও মূল্য নির্ধারণ করা হতো। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর কুরিয়ার সার্ভিসে সিসা পাঠানো হতো ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা নেয়া হতো।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, জব্দ করা মোবাইল ফোন ও ফেসবুক পেজ বিশ্লেষণ করে বিপুলসংখ্যক ক্রেতার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই করে ক্রেতা, পরিবেশক ও চক্রের অন্যান্য সদস্যকে শনাক্তের কাজ চলছে। পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

মেসির রেকর্ডের খাতায় নতুন অধ্যায়

মেসির রেকর্ডের খাতায় নতুন অধ্যায়

এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন বার্তা দিলেন জুকারবার্গ

এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন বার্তা দিলেন জুকারবার্গ

বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৩০

বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৩০

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App