ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের কৃতজ্ঞতা জানাল হাইকমিশন
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ-সাবলীল ও সুবিধাজনক করে তুলতে কাজ করছে ভারতীয় হাইকমিশন। দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরো নিবিড় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়েছে। এমনকি ভিসা আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে হাইকমিশন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে এক বার্তায় হাইকমিশন জানায়, বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়ায় তারা উৎসাহিত। এতে, ভিসা পরিষেবা আরো বিস্তৃত করা এবং আবেদন প্রক্রিয়াকে আরো সাবলীল ও সুবিধাজনক করে তুলতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। ভারতীয় হাইকমিশন ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরো নিবিড় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য আবারো ট্যুরিস্ট বা পর্যটন ভিসা চালু করেছে ভারত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ২৫ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মিশন শুরু করেই পর্যটন ভিসা চালু করার ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুযায়ী ২৮ জুন থেকে ঢাকাসহ পাঁচটি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভ্যাক) ভারতে গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের আবেদন নেয়া শুরু হয়। এই সেবা চালুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়ে দেশের ভারতীয় ভিসাকেন্দ্রগুলোতে। শুরুর দিন থেকে প্রতিদিনই ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভিসা আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।
কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানীতে ঠেকে। ওই সরকারের ভারতবিরোধী অবস্থান, বিক্ষোভ, ভারতীয় হাইকমিশন কার্যালয়ে সহিংসতা এবং হাইকমিশনের কর্মীদের নিরাপত্তার অভাবে পর্যটন ভিসা বন্ধ করে দেয়া হয়। এমনকি মেডিকেল ভিসাও সীমিত করা হয়। বিএনপি সরকার ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
