স্বামী গ্রেপ্তার
স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
রাজধানীর একটি বাসা থেকে এক কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৮ বছর বয়সী সানজিদা আক্তার মারিয়া নামের ওই তরুণী লালমাটিয়া মহিলা কলেজের স্মাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ গোড়ানের হাজী মসজিদের সামনের একটি বাসা থেকে গলায় পাটের সুতলি প্যাঁচানো অবস্থায় তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতেই তার স্বামী সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। সাইফুলের বাবা-মাকে নিয়ে সাংসারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, মারিয়াকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রথমে এটিকে আত্মহত্যা বলা হয়। গত রাতেই নিহতের ভাই চান মিয়া খিলগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটির স্বামী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারিয়ার ভাই চান মিয়া বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মারিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তারা। পরে মারিয়ার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বাসায় গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। সে অনুযায়ী তারা বাসায় গিয়ে রান্নাঘরের পাশের বারান্দায় মারিয়াকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। সাইফুল ও মারিয়ার বিয়ে হয় প্রায় এক বছর আগে। তিনি লালমাটিয়া মহিলা কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচে সহায়তা করতেন। বিয়ের পর গত প্রায় আট মাস ধরে দক্ষিণ গোড়ানের ওই বাসায় স্বামী সাইফুলের সঙ্গে বসবাস করছিলেন মারিয়া। মারিয়ার বাবার নাম মো. মহসিন। তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায়। ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাইফুলের বাবা-মাকে নিয়ে সাংসারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
