বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার হবে : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সাম্প্রতিক টানা রেকর্ড বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সড়ক দ্রুত সংস্কার করে নাগরিক দুর্ভোগ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাশাপাশি তিনি নগরীর প্রতিটি বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা সংগ্রহ করে তা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি বাসা-বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যেন প্রতিদিনের কার্যক্রম শেষে ককশিট, পলিথিন, প্যাকেজিং সামগ্রীসহ কোনো ধরনের বর্জ্য সড়ক, নালা বা খালে না ফেলে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে বৃষ্টি-পরবর্তী সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও নগর উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। এ সভায় চসিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মেয়র প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানের কাছে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর সর্বশেষ অবস্থা জানতে চান। এ সময় প্রধান প্রকৌশলী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ক্ষয়ক্ষতি এবং সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে সড়কে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করে নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘœ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সংস্কার কাজে বিলম্ব করা যাবে না। সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। নগরীকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করতে ১০ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিকভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। তবে লাগানো গাছগুলো যাতে নষ্ট বা চুরি হয়ে না যায় সেজন্যও ব্যবস্থা নিতে হবে বলে তিনি সভায় উল্লেখ করেন।
পাশাপাশি নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ছোট-বড় মিলিয়ে আরো ১০ হাজার ডাস্টবিন সংগ্রহ ও পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্থাপনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদারকি জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
