২৭তম রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশনে চসিক মেয়র
শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিল্পচর্চার বিকল্প নেইৎ
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিল্পচর্চার কোনো বিকল্প নেই। চিত্রাঙ্কনের মতো সৃজনশীল কর্মকাণ্ড শিশুদের মননশীলতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের সুন্দর ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশনের মতো আয়োজন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর নবাব সিরাজ উদ্দৌলা রোডস্থ সাফা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারে ২৭তম রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশন ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চসিকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণিভিত্তিক ক, খ ও গ- তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ওসমান গণি মনসুরের পুত্র প্রয়াত রাফির স্মরণে প্রতিবছর এ আয়োজন করা হয়। রাফির স্মৃতিকে ধারণ করে শিশু কিশোরদের সৃজনশীলতা ও শিল্পচর্চায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান ওসমান গণি মনসুরও। প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টসের সহযোগী অধ্যাপক হাইদারি আন্দালুসিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ চট্টগ্রামের সভাপতি রোটারিয়ান মো. সেলিম রেজা সাগর।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা রং-তুলির মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা, কল্পনা ও শিল্পভাবনা তুলে ধরে। প্রতিটি বিভাগে ৩ জন করে গ্র্যান্ড পুরস্কার এবং ১০ জন করে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হয়। গ্র্যান্ড ও বিশেষ পুরস্কারপ্রাপ্তদের ক্রেস্ট, সনদপত্র ও প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সকল ৪৫০ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র ও সৌজন্য পুরস্কার দেয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা রাফি স্মৃতি আর্ট কম্পিটিশন রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রামের অন্যতম নিয়মিত বার্ষিক আয়োজন। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
