চকরিয়া বাস ও জিপের সংঘর্ষে চার যুবক নিহত
কক্সবাজার (দক্ষিণ) ও চকরিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
কক্সবাজারের চকরিয়ার খুটাখালীতে যাত্রীবাহী বাস ও জিপের (জিটু গাড়ি) মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান হাইওয়ে পুলিশের মালুমঘাট ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. সামছুজ্জামান।
নিহতরা হলেন- চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার বাসিন্দা মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), একই ইউনিয়নের শিয়ালকাটা এলাকার মৃত মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারীয়া
এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে মো. রফিক (২৯), নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে জিয়াবুল হক (২৫)।
আহতরা হলেন- ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), নাপিতখালী এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), একই এলাকার আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার বদরুদ্দোজার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫), টেকনাফ উপজেলার কেরুনতলী এলাকার রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)। হতাহতরা সবাই দুর্ঘটনাকবলিত জিটু গাড়ির যাত্রী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে এসআই সামছুজ্জামান বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারমুখী যাত্রীবাহী লাল-সবুজ পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই একটি লোকাল জিপ (জিটু গাড়ি) গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জিটু গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এসময় জিটু গাড়িতে থাকা ৯ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই চালক ও সহকারী পালিয়ে যান। খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিশ্চিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং কক্সবাজার সদর পাঠানো হয়।
হাইওয়ে পুলিশের এ উপপরিদর্শক বলেন, আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিশ্চিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে এবং অপর ৩ জন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এসআই মো. সামছুজ্জামান।
