একদিনে ৫ লাশ, শাহবাগে মিলল তিন মরদেহ
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
রাজধানীতে একদিনে আলাদা-আলাদা ঘটনায় ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শাহবাগ এলাকার তিনটি স্থান থেকে ৩ অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়া রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক সিএনজিচালক ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় এক গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
শাহবাগ এলাকার তিনটি পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাত তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আনন্দবাজার, ঢামেক হাসপাতালের পাশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের ফুটপাত থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পথচারীরা তিনজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে শাহবাগ থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে দুজনের আনুমানিক বয়স ৬০ ও ৫৫ বছর। অপর ব্যক্তির বয়স প্রায় ৩৫ বছর। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মৃত তিনজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা ভবঘুরে ছিলেন। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, রাজধানীর রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. ইউসুফ (৩৫) নামে এক সিএনজিচালকের মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার দিবাগত রাতে নিজের বিকল সিএনজি রাস্তার পাশে মেরামত করার সময় আরেকটি সিএনজির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। পরে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রবিবার সকাল ৬টায় মারা যান তিনি। ইউসুফ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন ও ঢাকার কামরাঙ্গীচর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
অন্যদিকে, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মো. রাকিবুল ইসলাম (২২) নামে এক গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ও পরে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রাকিব ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে কুড়াতলী এলাকায় থাকতেন ও গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরিতে যোগ দেয়ার দ্বিতীয় দিনেই প্রাণ হারান। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, পাঁচটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে অবহিত করা হয়েছে।
