×

ভিডিও

যে কারণে অন্তবর্তী সরকারকে টিকিয়ে রাখতে চায় বিএনপি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:০২ পিএম

শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর বিএনপির বিএনপির এখন মূল চ্যালেঞ্জ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায়। এজন্য অন্তর্বর্তৗ সরকারকে সবধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত দলটি। ভোরের কাগজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিস্তারিত রুমানা জামানের রিপোর্টে। ছবি তুলেছেন আরিফুল ইসলাম পনি। 

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ক্ষমতার অন্যতম প্রধান দাবিদার বিএনপি'র সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে বলে মনে করেন কিনা- জানতে চাওয়া হয়েছিল দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থেকে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে। ভোরের কাগজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি জানান, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায় করাই মূল চ্যালেঞ্জ।

(এই মুহূর্তে আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হলো- একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায় করে নেয়া। এ লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চাই। কারণ, তারা রাষ্ট্রের সংস্কার শেষে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের দিকে যাবেন এটাই আমাদের একান্ত চাওয়া। পতিত স্বৈরাচার বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। যে কারণে আন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করা আমাদের মূল দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের টিকিয়ে রাখা এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান কাজ। না হলে সংকট আরো বাড়বে।)

বিএনপি মহাসচিব মনে করেন আওয়ামী লীগ দেশকে যে অবস্থায় রেখে গেছে তার জন্য প্রয়োজন বেশ কিছু সংস্কার। তবে তাতে সকলের সম্মতি থাকতে হবে বলেও জানান তিনি। 

(সংস্কার তো অবশ্যই করতে হবে। কারণ, দেশের নির্বাচনী প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে একেবারে ধ্বংস করে ফেলেছে আওয়ামী লীগ সরকার। এগুলো আর কাজই করছে না। ‘নন-ফাংশনাল হয়ে গেছে। এগুলোকে ফাংশনাল করতে না পারলে নির্বাচনও করা যাবে না; এমনকি দেশও চালানো যাবে না। বেসিক ফান্ডামেন্টাল ইস্যুগুলোকে সংস্কার করতেই হবে। তবে এই সংস্কারগুলো করার জন্য যেটা খুব জরুরি তা হলো- অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে করতে হবে।)

বিএনপি মনে করছে সংবিধানসহ যে ধরণের সংস্কারের প্রস্তাব আসছে সেই মৌলিক সংস্কারের জন্য নির্বাচন জরুরি। 

(সংবিধান সংস্কার বা পরিবর্তনের প্রস্তাব আসতে পারে। তবে সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা একমাত্র জনগণের। সংসদে এটা পাস হতে পারে। সেই সংসদেই এই প্রথমে প্রস্তাব উঠবে; এর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত তৈরি হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতের ভিত্তিতেই সংবিধান পরিবর্তনের পেক্ষাপট তৈরি হতে পারে। সবচেয়ে বড় হলো- সংস্কার প্রশ্নে জনগণের মতামত সবচেয়ে জরুরি।)

তবে এসব সংস্কারের জন্য এই অন্তবর্তী সরকারকে কতটা সময় দেবে বিএনপি? 

(এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়ের পরিধি আমি বলতে চাই না। এটা একেবারেই ‘হাইপথেটিক্যাল’ হয়ে যায়। এখানে আলোচনা হবে, ভিন্ন মতামত আসবে এবং সব পক্ষকে এক করে নিয়ে আসতে হবে। সুতারাং সময় তো লাগবেই। ঠিক কতোটুকু লাগবে এটা বলা মুশকিল। তবে সংস্কারগুলোকে শেষ করে নির্বাচন যত দ্রুত করে ফেলা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারসহ দেশের জনগণ ও ভবিষ্যতের জন্য ততই মঙ্গল।)

বর্তমানে যে রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলা হয়েছে সেটি আরো এক বছর আগেই বিএনপির ৩১ দফায় বলা হয়েছে। তবে এগুলোও পরিবর্তনযোগ্য বলে জানান তিনি। 

(জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের ১৯ দফা এবং খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০ থেকেই বিএনপির আজকের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা। এই নিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের দ্বারে যাব। হ্যাঁ, অবশ্যই ৩১ দফায় পরিবর্তন আসতে পারে। এটা এক কথায় ‘ওপেন ডোর’। কারো একার মতামত নয়; সবার মতামতের ভিত্তিতে সবাই মিলেই এই রাষ্ট্র পরিবর্তনের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে চাই।)

কিছুটা রোডম্যাপ ও সংস্কারের জন্য কমিশন গঠন করে প্রয়োজণীয় সংস্কার শেষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই সমাধান- বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল। 

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উৎসে কর কমানোর সুপারিশ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উৎসে কর কমানোর সুপারিশ

মমতাকে দলে ফিরে যেতে কংগ্রেসের প্রস্তাব

মমতাকে দলে ফিরে যেতে কংগ্রেসের প্রস্তাব

কলকাতায় পচা ডিমের দাম বাড়ার কারণ ‘ডিম থেরাপি’

কলকাতায় পচা ডিমের দাম বাড়ার কারণ ‘ডিম থেরাপি’

দিল্লির হোটেলে আগুনে দগ্ধ আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

দিল্লির হোটেলে আগুনে দগ্ধ আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App