ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে ট্রোলিং, মুখ খুললেন কিয়ারা আদবানি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ সিনেমায় অভিনয় করে ফের খবরে এসেছেন বলিউড তারকা কিয়ারা আদভানি। এতে কিছু সাহসী ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে তার উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। মা হওয়ার পর এমন সংবেদনশীল চরিত্রে অভিনয় করা শোভন হয়নি বলে দাবি তুলেছেন নেটিজেনদের একাংশ।
তবে এসব সমালোচনা ও ট্রলকে পাত্তা না দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কিয়ারা। তিনি জানান, একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে নতুন রূপ দেওয়া এবং ভিন্নধর্মী চরিত্রের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার তাগিদ থেকেই তিনি ‘টক্সিক’ সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, ছবিটি কিয়ারার ক্যারিয়ারে অন্যতম ব্যতিক্রমী ও সাহসী এক নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে।
আরো পড়ুন: অঙ্কুশকে নিয়ে নতুন গেম শোর পরিকল্পনা রাজের
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’
যদিও চলচ্চিত্রে কিয়ারার মূল চরিত্রটি ঠিক কেমন, তা নিয়ে নির্মাতারা এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে পর্দায় যশের বিপরীতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি ও সাহসী দৃশ্যগুলো এরই মধ্যে অনুরাগী ও দর্শকদের নজর কেড়েছে।
নারী চরিত্রের প্রচলিত ছক প্রসঙ্গে নিজের স্পষ্ট অবস্থানের কথা তুলে ধরে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না পর্দায় কোনো নারী চরিত্রকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে বেঁধে রাখা হোক।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি চাই না, নারীদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ তিনি মনে করেন, পর্দায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন হওয়া উচিত বেশ শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র, আর ‘টক্সিক’-এর চরিত্রটি ঠিক তেমনই এক নির্মাণ।
আরো পড়ুন: অভিনেতা হওয়ার মাশুল যেভাবে গুনেছিলেন সালমান খান
প্রসঙ্গত, ‘টক্সিক’ সিনেমাটির চিত্রনাট্য যৌথভাবে রচনা করেছেন নায়ক যশ ও গীতু মোহনদাস। পরিচালনায় রয়েছেন গীতু মোহনদাস নিজেই।
প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, ছবিটি মূল দ্বিজাতিক কাজ হিসেবে ইংরেজি ও কন্নড় ভাষায় একযোগে শুট করা হয়েছে। পরবর্তীতে হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালমসহ একাধিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভাষায় এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।
