ভাইরাল মিজান
‘সরকার কেন, সরকারের বাপেরও ক্ষমতা নেই দোকান সরানোর’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ছবি: এআই
ফুটপাতে দোকান থাকবে, সরকার কেন, সরকারের বাপেরও ক্ষমতা নেই দোকান সরানোর বলে মন্তব্য করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ফুটপাতের খাবার দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’।
রোববার (২৩ আগস্ট) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি এ কথা বলেন।
কারামুক্তির পর সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিজান বলেন,‘ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানটাও থাকতে হইবো। এমন কোনো শক্তির সাধ্য নেই আমাকে আটকাবে।
এ সময় সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে তিনি বলেন, তারা নিজেদের পদ-পদবি ও গেটআপ বাঁচাতে এই কাজ করেছে। তারা আমার কোনো ক্ষতি করে নাই, অসহায় মানুষের ক্ষতি করেছে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকায় ফুটপাতে দোকান থাকলে, আমারটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই। আমার ভাইরালের উসিলায় কোনো চাওয়া-পাওয়া নাই, এইডা আমার কথা।
তিনি বলেন, আমার হোটেলটা যেভাবে ভাঙছে, হোটেলটা যেন অন্তত আবার করার জায়গাটা যেন দেয়।
আরো পড়ুন: নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ফুটপাতে দোকান থাকবে, সরকার কেন, সরকারের বাপেও আমারে সরাতে পারবে না।
তার এই বিতর্কিত বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই বলছেন ভাইরাল হয়ে মিজানের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে, আবার কেউ কেউ নির্বাচিত সরকারকে এমন হুমকির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, দেশে কি কোনো আইন নেই যে ফুটপাত দখল করে প্রকাশ্যে এভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে? আবার অনেকের মতে এভাবে ফুটপাত দখল করে হুমকি দেওয়ার সংস্কৃতি দেশের পরবর্তী প্রজন্মকে ভুল বার্তা দেবে।
তার এই বিতর্কিত বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই বলছেন, ভাইরাল হয়ে মিজানের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে, আবার কেউ কেউ নির্বাচিত সরকারকে এমন হুমকির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নেটিজেনদের একাংশের মতে—অতি-ভাইরাল হয়ে মিজানের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, দেশে কি কোনো আইন-কানুন নেই যে ফুটপাত দখল করে আবার এভাবে সরকারকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে? এভাবে চলতে থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম দেশ থেকে কী শিখবে?
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়মিত অভিযানের সময় সরকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন মিজান। তার দোকানে থাকা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টার সময় বাগ্বিতণ্ডা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
