অপশক্তি রুখতে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৮:৪৩ পিএম
অপশক্তি রুখতে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) সকল ধরনের অপশক্তি রুখতে অপশক্তি বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ।
বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২ টায় হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন আকাশ ও সাধারণ সম্পাদক এম. এম. মাসুদ রানা মিঠুর নেতৃত্বে অপশক্তি বিরোধী মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি করে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভবন ও ডিভিএম গেইট হয়ে ক্যাম্পাস সংলগ্ন বাঁশেরহাট এলাকা প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়। মিছিল শেষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
বক্তব্যে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন আকাশ বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা যেহেতু যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। সুতরাং সরকার থেকে তারা কিছু কিছু সুযোগ সুবিধা পাবে এটাই কাম্য । আর সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাচাই-বাছাই করেই নিয়েছে। আমরা হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ সরকারের সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমরা চাইনা কোটা আন্দোলনের নাম করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করুক। কোটার বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সুন্দর পরিবেশ সুনিশ্চিত করতে চাই।
হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এম মাসুদ রানা মিঠু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়েছেন সেই প্রত্যয়ে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্যই বিএনপি-জামায়াতের দোসরদের ইন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোটা পুনর্বহালের বিপক্ষে আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে । বিএনপি-জামায়াতের দোসররা আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাদের এই অরাজকতা রুখে দিতে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ সব সময় মাঠে ছিল এবং থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের জন্য সবসময় ভালো কিছু চিন্তা করেন। কোটার বিষয়ে তরুণ প্রজন্মের জন্য যেই সিদ্ধান্ত ভালো হবে উনি সেই সিদ্ধান্তই নেবেন। আর আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিজ্ঞ আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
আরো পড়ুন: ডব্লিউএসটির ২১৩ জন শিক্ষার্থী পেলেন ব্যাচেলরস ও মাস্টার্স ডিগ্রি
