আখাউড়ায় হাঁস পালন করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন যুবক আলম
বাদল আহাম্মদ খান, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
ছবি : ভোরের কাগজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের যুবক মো. আলম হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। মাত্র এক মাস আগে দুই হাজার হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেছেন তিনি। বর্তমানে তাঁর খামারে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৭৫০টি ডিম উৎপাদন হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বিনিয়োগের অর্থ তুলে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। আলম উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে।
মো. আলম জানান, কয়েক বছর আগে তিনি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। এরপর পরিবারের ওয়ার্কশপ ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। প্রায় এক বছর আগে নেত্রকোনায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একটি হাঁসের খামার দেখে এই ব্যবসার প্রতি আগ্রহী হন। সেখানে এক সপ্তাহ অবস্থান করে হাতে-কলমে হাঁস পালনের বিভিন্ন কৌশল শেখেন।
পরে বাড়ি ফিরে পুঁজি সংগ্রহ করে এক মাস আগে নেত্রকোনা থেকে দুই হাজার হাঁস কিনে খামার গড়ে তোলেন। এ খাতে তিনি প্রায় ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন।
বর্তমানে খামারটি তিনি নিজেই তদারকি করছেন। পাশাপাশি দুইজন শ্রমিক হাঁসগুলোর পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিদিন সকাল ৭টার দিকে হাঁসগুলোকে হাওড়ের জমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সারাদিন প্রাকৃতিকভাবে খাবার সংগ্রহ করে বিকেলে আবার খামারে ফিরিয়ে আনা হয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
মো. আলম বলেন, “বর্তমানে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৭৫০টি ডিম পাচ্ছি। নিয়মিত ডিম উৎপাদন অব্যাহত থাকলে আরও ৬ থেকে ৭ মাস ডিম পাওয়া যাবে। এতে বিনিয়োগের টাকা উঠে আসবে, পাশাপাশি প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।”
হাঁসের স্বাস্থ্য সম্পর্কে আলম বলেন, “এখন পর্যন্ত হাঁসের তেমন কোনো রোগবালাই দেখা দেয়নি। সঠিক পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে খামারের হাঁসগুলো সুস্থ রয়েছে।”
