ভারী বৃষ্টিতে ৭ জেলায় ফের বন্যার শঙ্কা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সাত জেলায় আবারও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে কয়েকটি জেলার নদ-নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি বা তার ওপরে প্রবাহিত হওয়ার পাশাপাশি নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানির স্তর স্থিতিশীল থাকলেও আগামী তিন দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নদীগুলোর কয়েকটি স্থানে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও বেড়েছে। আগামী তিন দিন এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসব নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে নতুন করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে অথবা বিদ্যমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির স্তরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচ দিন এই নদীগুলোর পানি আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় ২০ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা অববাহিকার কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কয়েকটি পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর ফলে নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলের কীর্তনখোলা, লোয়ার মেঘনা, পশুর, ইছামতি, কর্ণফুলী, লিটল ফেনী ও নোয়াখালী খালসহ বিভিন্ন নদীতে বর্তমানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী একদিনও এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
