মারাত্মক খাদ্য ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, জাতিসংঘের সতর্কতা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতার কারণে ইউরিয়া সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে সম্ভাব্য সার সংকট এবং খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।
ডব্লিউএফপির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ব্যবহৃত ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশই সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ ইউরিয়া মজুত রয়েছে, তা অক্টোবর পর্যন্ত চাহিদা পূরণে সক্ষম হলেও এরপর পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। খবর আল জাজিরার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে গ্যাসের ঘাটতির কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি ইউরিয়া কারখানার মধ্যে তিনটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে, যা সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরো সংকটময় করে তুলতে পারে।
ডব্লিউএফপির আশঙ্কা, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
আরো পড়ুন : ৩৮.৬ শতাংশ বাংলাদেশির স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য নেই
এদিকে লোহিত সাগরে সৌদি আরবগামী দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী আনসার আল্লাহ (হুথি)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গোষ্ঠীটির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, লোহিত সাগরে আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধ অমান্য করার জবাবে এনসেলিয়া ও লায়লা নামের দুটি তেলবাহী জাহাজে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রাখার অবস্থান বজায় রেখেছে ইরান। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে। পাল্টা জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান এই সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি সারবাজার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
