গ্যালারিতে বসে ব্রাজিলের বিদায় দেখলেন মেহজাবীন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চলছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তেজনা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দলের এমন বিদায়ে বিশ্বজুড়ে ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা, অন্যদিকে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন আর্জেন্টিনা ভক্তরা।
এই ম্যাচের অন্যতম দর্শক ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও আর্জেন্টিনা সমর্থক মেহজাবীন চৌধুরী। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি উপভোগ করেছেন ব্রাজিল-নরওয়ের ম্যাচ এবং ব্রাজিলের বিদায়ের সাক্ষী হয়েছেন তিনি।
ম্যাচ শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মজার পোস্টও করেছিলেন মেহজাবীন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ব্রাজিলকে দু-একটা ফুটবলের টিপস দিতে এলাম। আমি কিন্তু আর্জেন্টিনা।’ ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সেই পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
যদিও এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ মাঠে বসে দেখা হচ্ছে না তার। কারণ শিগগিরই দেশে ফিরতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবুও প্রিয় দলকে নিয়ে আশাবাদী অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘সম্ভবত আর্জেন্টিনার ম্যাচটি মাঠে বসে দেখা হবে না। তবে মন থেকে চাইব, তারা যেন ফাইনালে পৌঁছায়।’
এর আগে কোপা আমেরিকার সময়ও একই স্টেডিয়ামে বসে আর্জেন্টিনার একটি ম্যাচ উপভোগ করেছিলেন মেহজাবীন। এবার সেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই তিনি দেখলেন ব্রাজিলের বিদায় এবং নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দ।
খেলা শেষে এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘স্টেডিয়ামে বসে ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা ছিল আমার অনেক দিনের স্বপ্ন। আলহামদুলিল্লাহ, এবার সেটি পূরণ হয়েছে। মাঠের পরিবেশ, হাজার হাজার দর্শকের একসঙ্গে উচ্ছ্বাস আর সেই আবহ—সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। টেলিভিশনে যতটা অনুভব করা যায়, মাঠে বসে তার অনুভূতি কয়েকগুণ বেশি। এই স্মৃতি সারাজীবন মনে থাকবে।’
ম্যাচ নিয়ে নিজের মূল্যায়নে তিনি বলেন, শুরু থেকেই ধারণা ছিল লড়াইটা কঠিন হবে। ব্রাজিল শক্তিশালী দল হলেও নরওয়েকেও অবমূল্যায়ন করার সুযোগ ছিল না।
নেইমারের প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথাও উল্লেখ করেন মেহজাবীন। তবে একই সঙ্গে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘নেইমারের প্রতি আমার ভীষণ সম্মান আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমি হলান্ডেরও ভক্ত হয়ে গেছি। আমার মনে হয়, সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। আর আমি যেহেতু আর্জেন্টিনার সমর্থক, তাই হিসাবটা আমাকে নরওয়ের দিকেই টেনে নিয়েছিল।’
