ভূমিমন্ত্রী
‘ঐতিহাসিক স্মৃতি ধরে রাখতে আরএমপির ইতিহাস পুনঃস্থাপন’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে একটি ফলক। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ঐতিহাসিক এই স্মৃতি ধরে রাখতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আরএমপির গৌরবময় ইতিহাস পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। শনিবার আরএমপি কার্যালয়ে ফলকটি উন্মোচন করেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)-এর সূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এটি পরিবর্তন করে ফেলা হয়। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধরে রাখতে আরএমপির গৌরবময় ইতিহাসকে পুনঃস্থাপন করা হলো।’
আরও পড়ুন: ‘এত উত্তেজনা শরীরের পক্ষে ভালো নয়’, ছাত্রলীগ নেত্রীকে ছাত্রদল নেত্রী
রাজশাহী মহানগরী থেকে জুয়া, ভূমিদস্যু ও মাদক চোরাকারবারীদের কঠোরহস্তে নির্মূল করতে আরএমপিকে নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজশাহীকে শান্ত ও নিরাপদ রাখতে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধীদের দমনে পুলিশকে কোনো প্রকার রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হবে না। বিগত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শত শত কোটি টাকার মাদক ও অবৈধ চোরাচালান দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই চক্রকে তিনি জাতির শত্রু বলে আখ্যায়িত করেন এবং মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আরএমপিকে আরও কঠোর হতে বলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে রাজশাহীর শান্তি, শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মো. মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এরশাদ আলী ঈশা প্রমুখ।
