ইকরার মৃত্যু
অভিনেতা আলভী দুই দিনের রিমান্ডে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম
সংগৃহীত ছবি
ঢাকার মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরনী মীর রিমান্ডের আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম রিমান্ডের তথ্য জানিয়েছেন।
গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তবে আদালত সেদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এরপর রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক তার রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন এদিন।
এদিন শুনানিকালে আলভীকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে হারুন অর রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুকও রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আলভীর পক্ষে তার আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত আলভীর দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, “ইকরাকে উদ্দেশ করে যাহের আলভী অপমানসূচক ও উস্কানিমূলক কথাবার্তা লিখে তার ফেসবুকে পোস্ট করত। আসামি বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি পরনারীর সঙ্গে ছবি সংযুক্ত করে উস্কানিমূলক কথাবার্তা লিখে তার ফেসবুকে পোস্ট করে। মামলার মূল রহস্য উদঘাটনসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, শনাক্ত করা ও আসামির স্থায়ী ঠিকানা উদঘাটনের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
গেল ৪ জুন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালতে যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবীর ডিওএইচএসের বাসায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
ইকরার আত্মহত্যার পর ওই রাতেই মামলা করেন বাবা কবির হায়াত খান।
