এনএসআইর ২ কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
ফাইল ছবি
ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দুই কর্মকর্তা হলেন—এনএসআইর অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীন ও যুগ্ম পরিচালক বদরুল আহমেদ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নিষেধাজ্ঞা দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রা বন্ধে পৃথক আবেদন করেন।
আদালতে দেওয়া আবেদনে দুদক জানায়, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে তাদের মাধ্যমে পাচার বা অর্জিত অর্থ উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে তাই তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন: সালমানের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে লড়তে বিদেশি আইনজীবীর আবেদন
দুদক সূত্রে জানা যায়, এনএসআইর অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি এবং পদমর্যাদার প্রভাব ব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, যুগ্ম পরিচালক বদরুল আহমেদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত চলছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর ৮২৪/২০২১-এর ২০২১ সালের ১৬ মার্চের রায়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে।
ওই রায়ের আলোকে আদালতে আবেদন করার জন্য দুদকের যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়। এরপর সোমবার প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হলে সেগুলো পর্যালোচনা করে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
একই সঙ্গে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
