মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাগারে থাকা সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকটকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত অন্যরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শায়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকট।
অভিযুক্তদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানবীর হাসান সৈকট বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্য আসামিদের পলাতক হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার ভূমিকা ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
তবে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ আমলে নেওয়া বা অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া মানেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
