হাজিদের জন্য নতুন নিয়ম করলো সৌদির
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
২০২৭ সালের হজ মৌসুম সামনে রেখে হজযাত্রীদের আবাসন ব্যবস্থাপনায় নতুন বিধিমালা ও শ্রেণিবিন্যাসের মানদণ্ড অনুমোদন করেছে সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আবাসিক স্থাপনাগুলোর বিভিন্ন অনিয়ম ও লঙ্ঘনের তালিকাও অনুমোদন করা হয়েছে।
সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজ মৌসুমে আবাসন পরিচালনা, লাইসেন্স প্রদান ও মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হজযাত্রীদের জন্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসর আল-আনসারি বলেন, নতুন বিধিমালার মাধ্যমে আবাসন খাতের নিয়ন্ত্রক ও পরিচালন কাঠামো আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের গ্রহণের আগে আবাসনসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করেছে কি না, তা নিশ্চিত করা হবে।
নতুন মানদণ্ড অনুযায়ী আবাসন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও পরিচালন সক্ষমতা যাচাই করা হবে। হজযাত্রীদের আবাসনকে ‘ইকোনমি’ ও ‘ফার্স্ট ক্লাস’ এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি শ্রেণির জন্য পৃথক মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিধিমালায় আবাসন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ব্যবহার্য স্থান, অতিথিকক্ষ, অভ্যর্থনা কেন্দ্র, পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অতিথিসেবার মান নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে একাধিক ধাপে পরিদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লাইসেন্স দেওয়ার আগে, কার্যক্রম শুরুর আগে এবং কার্যক্রম চলাকালীন নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে।
আরও পড়ুন: প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
মন্ত্রণালয়ের মতে, এ ধরনের তদারকি ব্যবস্থার মাধ্যমে আবাসনসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হজযাত্রীদের সেবার মানও উন্নত হবে।
সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় বলেছে, হজযাত্রীদের আতিথেয়তা দেওয়া দেশটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এ দায়িত্বকে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে হজযাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০২৭ সালের হজ মৌসুমে লাইসেন্স নিতে আগ্রহী আবাসনসেবা পরিচালনাকারীদের নতুন শর্ত পূরণের প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আবেদন জমা দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
