×

জাতীয়

আমদানি লাইসেন্স দিলেও থামেনি স্বর্ণ চোরাচালান

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩৫ এএম

আমদানি লাইসেন্স দিলেও থামেনি স্বর্ণ চোরাচালান

ফাইল ছবি

কখনো কম্বলের ভেতর, পেটের ভেতর, বিমানের টয়লেটে, যাত্রীর জুতোর ভেতর, প্যান্টের ভেতর, মানিব্যাগে, লাগেজে, হ্যাঙ্গার গেটে, বোর্ডিং ব্রিজ প্রভৃতি উপায়ে স্বর্ণের বার চোরাচালান হয়ে আসছে হরহামেশা। সম্প্রতি  বৈধপথে ঘোষণা দিয়ে স্বর্ণ আমদানি বেড়েছে। গত ১ মাসে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেড় টন স্বর্ণবার এনেছেন প্রবাসীরা। এসব প্রবাসীর অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের শ্রমিক। মাঝে মধ্যে আটকও হচ্ছে স্বর্ণের বার। চলতি বছরের গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৫০০ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। যেসব সোনা আসছে তার বেশির ভাগই পাচার হয়ে যাচ্ছে। তাই এ উপায়ে স্বর্ণ আনা চোরাচালানিদের একটি কৌশল হতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া দীর্ঘদিনেও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গত এক যুগে স্বর্ণের নিলাম ডাকেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে চলতি মাস (নভেম্বর) পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে স্বর্ণ জমেছে প্রায় ৩ হাজার কেজি। যার মধ্যে মামলা প্রক্রিয়াধীন স্বর্ণের বারের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ১১১ কেজি ও স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ প্রায় ৮১৯ কেজির ওপরে। সব মিলিয়ে মামলায় আটকে আছে ২ হাজার ৯৩০ কেজি স্বর্ণালঙ্কার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাচার হয়ে আসা স্বর্ণ ধরা পড়ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে। কাস্টমস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, যত স্বর্ণ ধরা পড়ছে, তার কয়েকগুণ বেশি স্বর্ণ পাচার হয়ে যাচ্ছে। আর এসব স্বর্ণ চোরাচালানে নেয়া হচ্ছে নিত্য-নতুন কৌশল ও পদ্ধতির আশ্রয়। চোরাকারবারিরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোসহ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ থেকে স্বর্ণ এনে বাংলাদেশ ও এর পাশর্^বর্তী দেশগুলোর বাজারে সরবরাহ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০ তোলা ওজনের একেকটি সোনার বার বিমানবন্দর থেকে বাইরে এনে দিলে চোরাচালানিদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পান যাত্রীরা। দুবাই, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসার সময় বিমানের কোনো কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বর্ণ পরিবহনে সহায়তা করেন। বাহকদের হাতে স্বর্ণ ধরিয়ে দেন দুবাইয়ে অবস্থানরত চক্রের সদস্যরা। বাহক সেই স্বর্ণ বিমানের আসনের নিচে, শৌচাগারে বা অন্য কোনো স্থানে লুকিয়ে রেখে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। পরে কৌশলে সেই স্বর্ণ বের করে বাইরে নিয়ে আসা হয়। স্বর্ণের দামে রেকর্ড, চোরাচালানেও রেকর্ড : করোনা মহামারির আগে দেশের বাজারে ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি ছিল সোনার দাম। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৭২ হাজার ৬৬৬ দশমিক ৭২ টাকা। গত ৬ আগস্ট আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (৩১ দশমিক ১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৭০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। তখন প্রতি ভরির দাম গিয়ে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকায় দাঁড়ায়। সেটিই ছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দাম। দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সোনা চোরাচালানও। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৫০০ কেজি স্বর্ণ জব্দ করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। সর্বশেষ নভেম্বর মাসে শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়ে ৯৩ হাজার ৬৭০ ভরির সমপরিমাণ ৯ হাজার ৩৬৭টি সোনার বার এসেছে, কেজির হিসাবে যার পরিমাণ ১ হাজার ৯২ কেজি বা এক টনের বেশি। অর্থাৎ ১ বছরে সোনা ব্যবসায়ীরা যে পরিমাণ সোনা আমদানি করেছেন, তার চেয়ে ৪৩ গুণ বেশি সোনা চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে ১ মাসে এনেছেন প্রবাসীরা। একই সঙ্গে গত ১ মাসে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণে স্বর্ণবার এনেছেন প্রবাসীরা। কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, এয়ারপোর্টে কড়াকড়ি ও কঠোর নজরদারির কারণে অবৈধ পথে স্বর্ণ আনা কমেছে। বিমানবন্দরে কর্মরত গোয়েন্দা এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের নজরদারি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ পথে আসা সোনা ধরতে তৎপরতা চলছে। তবে ২০১৮ সালের চেয়ে ২০১৯ সালে অবৈধ পথে আসা সোনা জব্দ কমেছে। ২০১৮ সালে আকাশপথে আসা ৭৬৫ কেজি অবৈধ স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। ২০১৯ সালে এটা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৫৪১ কেজিতে। এদিকে গত শনিবার (৫ ডিসেম্বর) ভারতে পাচারকালে যশোরের চৌগাছা উপজেলার শাহাজাতপুর সীমান্ত থেকে ৬০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এদিন ভোরে যশোর বিজিবি ব্যাটালিয়নের টহল দলের সদস্যরা এসব স্বর্ণের বারগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পাচারের কৌশলে ঘোষণা দিয়ে স্বর্ণ আমদানি : গত ১ নভেম্বর শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রী আটক হন ৮২টি সোনার বারসহ। কক্সবাজারের বাসিন্দা এনামুল ফিরছিলেন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে। এর আগে ১৫ অক্টোবর দুবাইফেরত বাংলাদেশ বিমানের আরেকটি ফ্লাইটের ৩টি আসনের নিচে ৮টি প্যাকেটে ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করে চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তারা। এছাড়া গত ২৩ অক্টোবর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭ দশমিক ৮৮৮ কেজি ওজনের ৬৮ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বাজার মূল্য ৪ কোটি ৭৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা। সম্প্রতি ধরা পড়া চালানগুলোর বেশির ভাগই দুবাই থেকে আসা বিমানের ভিতর ও বিমানের যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া। ১৫ অক্টোবরই শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ৩টি বিমানে ঘোষণা দিয়ে যাত্রীরা আনেন ১২০টি সোনার বার। এর আগে ১৩ অক্টোবর ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছিল ৮৮টি সোনার বার। অবৈধ দুটি চালান ধরার পর ১৭ অক্টোবর শনিবার ঘোষণা দিয়ে যাত্রীরা আনে ১১০টি সোনার বার। ২০ অক্টোবর ঘোষণা দিয়ে আনা হয় ১৬০টি সোনার বার, যা ১৩ অক্টোবরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। স্বর্ণ বারের পাশাপাশি এবার স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি : দেশে বছরে ২০-৪০ টন সোনার চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ পুরনো সোনার অলঙ্কার গলিয়ে সংগ্রহ করা হয়। চাহিদার বাকি ৯০ শতাংশ সোনা এত দিন ব্যাগেজ রুলসের মাধ্যমে আসে। সম্প্রতি স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানিতে ১ ব্যাংক ও ১৮টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়ায় বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি প্রক্রিয়া শুরু করছেন ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় স্বর্ণ বারের পাশাপাশি এবার স্বর্ণালঙ্কার আমদানিরও অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অনুমোদিত ডিলাররাই এখন বৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। ওই সার্কুলারে বলা হয়, স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা ২০১৮ অনুসরণ করেই অনুমোদিত ডিলাররা স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এর আগে অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির অনুমতি থাকলেও স্বর্ণালঙ্কার আমদানির বৈধতা ছিল না। এ সার্কুলারের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার আমদানির অনুমতি ও নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বর্ণ আমদানির অনুমোদন দেয়ায় দেশে বৈধপথে এটি আমদানি হবে। এতে অর্থ পাচার কমে যাবে। বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়। স্বর্ণ আমদানির ক্ষেত্রে প্রথমত ২ বছরের জন্য লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লাইসেন্স ২ বছর পরপর নবায়ন করতে হবে। অনুমোদন দেয়া লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে নবায়ন করতে হয়। নবায়নের ফি ২ লাখ টাকা। কার্যত বন্ধ বৈধ আমদানি : শুল্ক বেশি থাকায় লাইসেন্স পাওয়ার পরও ৬ মাস সোনা আমদানি করেননি ব্যবসায়ীরা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ২০ শতাংশ কর প্রত্যাহার করা হয়। প্রতি ভরি সোনা আমদানিতে বর্তমানে ২ হাজার টাকা সম্পূরক শুল্ক দিতে হয়। ব্যাগেজ রুলসেও একই শুল্ক লাগে। শুল্ক কমানোর পর ১০ জুন ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ১১ হাজার গ্রাম সোনা আমদানির জন্য আবেদন করে। দ্রæত সময়ের মধ্যে অনাপত্তিও দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। দুবাই থেকে ৩০ জুন সোনার বার আমদানি করে নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। পরে অরোসা গোল্ড করপোরেশন ১৫ হাজার গ্রাম সোনা আমদানি করে। প্রথম চালান আনার পরপরই ২০ হাজার গ্রাম বা ১ হাজার ৭১৪ ভরি সোনা আমদানির জন্য ঢাকা ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। সেই আবেদনের ২০ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি হওয়া সোনার মান যাচাইয়ে জাহাজীকরণের আগে ও পরে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা জানতে চায়। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড সেসবের জবাব দিলেও অনাপত্তি পায়নি। এদিকে গত ৩ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সোনা আমদানির ক্ষেত্রে জাহাজীকরণের প্রাক্কালে সরবরাহকারী প্রান্তে ও দেশে আসার পর পণ্যের মান যাচাইয়ে সঠিক পদ্ধতি ও প্রক্রিয়ার বিষয়ে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক। মামলা জটে ১ যুগ ধরে স্বর্ণের নিলাম বন্ধ : বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্থায়ী ভল্টে অবৈধভাবে বিভিন্ন পথে আসা আটককৃত স্বর্ণের বার চলতি মাসের অক্টোবর পর্যন্ত তালাবদ্ধ সিলগালা প্যাকেট জমা রয়েছে ১০টি। যার পরিমাণ ২ হাজার কেজির ওপরে। অন্যদিকে একই সময়ে স্বর্ণালঙ্কারের তালাবদ্ধ সিলগালা প্যাকেট জমা রয়েছে ৯টি যার পরিমাণ ৮শ কেজির ওপরে ও রৌপ্য খাতে  জমাকৃত প্যাকেট রয়েছে ১টি। এসব স্বর্ণের পরিমাণ ৩ হাজার কেজির ওপরে। যার মধ্যে মামলা প্রক্রিয়াধীন স্বর্ণের বারের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ১১১ কেজি ও স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ প্রায় ৮১৯ কেজির ওপরে। স্বাধীনতার পর থেকে জব্দ হওয়া স্বর্ণের মধ্যে রাষ্ট্রের অনুক‚লে আদালত থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া ২ হাজার ৩শ কেজি স্বর্ণ কিনে রিজার্ভে যোগ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ ২০০৮ সালে ৪ দফায় ৯১ কেজি স্বর্ণ নিলাম হয়। এরপর আর কোনো নিলাম হয়নি। দীর্ঘ এক যুগ নিলাম প্রক্রিয়া না হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, যেসব স্বর্ণের বিপরীতে করা মামলার নিষ্পত্তি হয় এবং ভল্টে রাখা স্বর্ণ যদি আদালতের মাধ্যমে সরকারের অনুক‚লে জব্দ করা হয়, সেসব স্বর্ণ নিলাম করা হয়। তবে যেসব স্বর্ণের বার বা ‘বিস্কুট’ আকারে আছে, সেগুলোকে বিশুদ্ধ স্বর্ণ মনে করা হয়। এগুলো সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে নেয়। পরে তারা এগুলোকে রিজার্ভে দেখানোর জন্য ভল্টে রেখে দেয়। নিলামের টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারকে দিয়ে দেয়। জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বর্ণালঙ্কার নিলামে দেয়া হলেও স্বর্ণের বার কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামে দেয় না। প্রয়োজন মনে করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বর্ণের বার কিনে নিয়ে রিজার্ভে যুক্ত করে। অন্যদিকে বিভিন্ন পথে আসা বেশির ভাগ স্বর্ণের মামলা বিচারাধীন। বিচারাধীন থাকার কারণে স্বর্ণালঙ্কার নিলামে দেয়া যাচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব হলো স্বর্ণগুলো জমা রাখা। তবে দিনের পর দিন জমা থাকা মোটেও সমীচীন নয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

ইউএনও অফিসে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, এখনো বহাল অভিযুক্ত

ইউএনও অফিসে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, এখনো বহাল অভিযুক্ত

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার

সাইকেলের পেছনে খবরের বোঝা, শাহ আলমের ৩৫ বছরের ছুটে চলা

সাইকেলের পেছনে খবরের বোঝা, শাহ আলমের ৩৫ বছরের ছুটে চলা

বিশেষ অতিথি না করায় ‘১৪৪ ধারা’ ঘোষণা, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

বিশেষ অতিথি না করায় ‘১৪৪ ধারা’ ঘোষণা, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App