দ্রুতই স্থানীয় সরকার ও সিটি নির্বাচনের তফসিল
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার ও সিটি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, ‘আইনগত বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দ্রুত তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি এ তথ্য তিনি।
তিনি বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের আগেই ধাপে ধাপে প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার নির্বাচনসহ কিছু বিষয় সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।’
মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর আসে সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের কাছে চিঠি এসেছে, কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব।’
তিনি বলেন, শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অংশ হওয়ায় তা আপাতত বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত এ দুই আসনে নির্বাচন আয়োজনের কাজ চলছে।’
দুই সংসদীয় আসনের নির্বাচন আয়োজন করতে গিয়ে সিটি নির্বাচন পিছিয়ে যাবে কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দেরি হবে, এমনটা বলব না।’
এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন, আইনগত জটিলতা বা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় আছে কিনা-এসব খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করবে না কমিশন।’
স্থানীয় সরকার ও সিটি নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনেও নানা চ্যালেঞ্জ ছিলো, যা সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে। সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একইভাবে সফল সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনেও কমিশন আশাবাদী।’
মহিলা সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত আসন বাতিল করে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কাজ করবে। আইন পরিবর্তন হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংরক্ষিত আসন নির্বাচনের বিষয়ে এখনো নতুন কোনো সিদ্ধান্ত পায়নি কমিশন।’
এদিকে, প্রথমবারের মতো ১৬ বছর ও তদূর্ধ্ব নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৬ বছর বয়সে এনআইডি পাওয়া গেলেও আইন অনুযায়ী ১৮ বছর পূর্ণ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে। ভবিষ্যতে আরো কম বয়সীদের এনআইডির আওতায় আনার বিষয়েও কমিশন ভাবছে।’
