স্পিকার
জুলাই জাদুঘর স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জাতির সংগ্রামের এক অবিনাশী অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, ততদিন দেশের মানুষের গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের ইতিহাসও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিপীড়ন, সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার নানা দিক জাদুঘরে তুলে ধরা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ অন্যান্যদের অবদান জাতির জন্য চিরন্তন প্রেরণা হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ধারাবাহিকতারই একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
পরিদর্শনকালে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ‘লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি রোড’ ঘুরে দেখেন। সেখানে ১৯৭১ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকচিত্র, জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক, গ্রাফিতি ও বিভিন্ন নথিপত্র প্রদর্শিত হয়।

তারা কোটা আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং শহিদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত কর্নারও পরিদর্শন করেন। এছাড়া আয়নাঘরের প্রতিরূপ, গুমের স্মৃতি ও জুলাই শহিদদের প্রতিকৃতি দেখে উপস্থিত অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পরিদর্শন শেষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে জুলাই জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে।
