বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় তোফায়েল আহমেদ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভোলায় বাবা-মায়ের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর সোয়া ২টায় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে।
জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন এবং তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
জানাজা শেষে তার লাশ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নেওয়া হয়।
সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষসহ স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
জীবদ্দশায় নিজের জন্মভূমি ভোলার মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তোফায়েল আহমেদ, পরিবারের সদস্যরা সেই ইচ্ছাই পূরণ করেছেন।
এর আগে রাজধানী থেকে হেলিকপ্টারে করে তার লাশ ভোলায় আনা হয়। ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে জানাজায় রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশে এমপি ও মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তোফায়েল আহমেদ। তার মৃত্যুতে ভোলাসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
৯ বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তার গ্রামের বাড়িতে শোকের আবহ তৈরি হয়। দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন আত্মীয় স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর থেকে কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেন।
