×

জাতীয়

খেলাপি ঋণ ও অর্থ পাচার নিয়ে কি করছে সরকার?

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:২০ পিএম

খেলাপি ঋণ ও অর্থ পাচার নিয়ে কি করছে সরকার?

ছবি : সংগৃহীত

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচার রোধে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পাশাপাশি আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে সংসদে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ রবিউল বাশারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। বেলা তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

এমপি রবিউল বাশার জানতে চান, খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ পাচার ও প্রভাবশালীদের অনিয়মিত ঋণের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা ও জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সরকারের পদক্ষেপ, বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা ও আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে।

অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিগত সহায়তা দিয়েছে। সময়মতো ঋণ পরিশোধে অসমর্থ ঋণগ্রহীতাদের বিষয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০২৫ জারি করা হয়েছে। যেসব ব্যাংকে শ্রেণিকৃত ঋণের হার বেশি, তাদের জন্য শ্রেণিকৃত ঋণ নিষ্পত্তি কৌশল (রেজোল্যুশন স্ট্র্যাটেজি) সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধন) আইনে সংজ্ঞায়িত ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরপিডি সার্কুলার নং-৬ (১২ মার্চ ২০২৪) জারি করা হয়েছে। এই নীতিমালায় ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি শনাক্তকরণ ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ পাচার রোধ ও বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে ১২ সদস্যের একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীনে জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলা চিহ্নিত করেছে। এসব মামলার অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।

জেআইটির কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, গত এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত আদালতের আদেশে দেশে ৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪৭ হাজার ২৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। বিদেশে ১৫ হাজার ১১১ কোটি ৯২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত ও ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ হয়েছে। দেশে-বিদেশে মিলিয়ে মোট প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ আদালতের মাধ্যমে সংযুক্ত বা অবরুদ্ধ হয়েছে।

পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে এ পর্যন্ত ১৪২টি মামলা হয়েছে; এর মধ্যে ১৬টিতে অভিযোগপত্র দাখিল ও ছয়টিতে রায় হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অধীনে একটি স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি ডিভিশন গঠন করা হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

শিল্পকলা প্রদর্শনী ‘অন্তর্লোকের সন্ধানে’ শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

শিল্পকলা প্রদর্শনী ‘অন্তর্লোকের সন্ধানে’ শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশের কাছে হারের কারণ জানালেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

বাংলাদেশের কাছে হারের কারণ জানালেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

আবারো কি এস আলমে ফিরতে পারে মালিকানা?

ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তাল সংসদ আবারো কি এস আলমে ফিরতে পারে মালিকানা?

উত্তরায় ক্যাসিনো নির্মূলে সাঁড়াশি অভিযানে ডিএমপি

ফলোআপ উত্তরায় ক্যাসিনো নির্মূলে সাঁড়াশি অভিযানে ডিএমপি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App