ছয় নদ-নদীর ১০ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ২৯৮.৫ মিলিমিটার। এর ফলে দেশের ছয় নদ-নদীর ১০টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
কেন্দ্রের সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, ছয় নদ-নদীর ১০টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে ১৪২ সেন্টিমিটার, চট্টগ্রামের দোহাজারি পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার, মাতামুহুরি নদীর লামা পয়েন্টে ১৫৪ সেন্টিমিটার, কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মৌলভীবাজারের মনু রেল-ব্রিজ পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার, মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ বল্লা পয়েন্টে ২২০ সেন্টিমিটার, হবিগঞ্জ পয়েন্টে ১১৫ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া সমতলে থাকা নদ-নদীর ৯৩টি পয়েন্টে পানি বাড়ছে, ৩১টি পয়েন্টে পানি কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি পয়েন্টে।
অন্যদিকে তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে। এগুলো হলো- তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা), কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও শেরপুর (মৌলভীবাজার) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) ও লরেরগড় (সুনামগঞ্জ) তর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।
