খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৫ টাকা কেজি দরে মাসে মিলবে ৩০ কেজি চাল
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
প্রান্তিক জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে চালু হওয়া ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে নিবন্ধিত ৫৫ লাখ কার্ডধারী পরিবার বছরে মোট ৬ মাস—আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল—সুলভ মূল্যে খাদ্য সহায়তা পাবেন। নির্ধারিত এই সময়গুলোতে প্রতি কেজি মাত্র ১৫ টাকা দরে প্রতিটি পরিবার মাসে সর্বোচ্চ ৩০ কেজি করে চাল কেনার সুযোগ পাবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মোট ৫৫ লাখ দরিদ্র কার্ডধারী পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করা, বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কর্মহীন বা মন্দার সময়ে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
আরো পড়ুন: আলোচিত সেই মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরুর আদেশ
মূলত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর—বিশেষ করে নারী ও শিশুদের—অপুষ্টি দূরীকরণেও ভূমিকা রাখছে এই উদ্যোগ। বর্তমানে ২৪৮টি উপজেলার প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার সুবিধাভোগীকে পুষ্টিসম্পন্ন চাল (ফর্টিফায়েড রাইস) এবং বাকি ২৪৭টি উপজেলার প্রায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার পরিবারকে সাধারণ চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।
পাশাপাশি, সারাদেশে নির্ধারিত ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্র থেকে খোলা বাজারে বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভর্তুকি মূল্যে নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বর্তমান খাদ্যশস্যের মজুত অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এবং অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। বর্তমানে চাল ও গম সংগ্রহের কাজও পুরোদমে চলছে। তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে মোট ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য গচ্ছিত রয়েছে। এর মধ্যে চাল ১৯ লাখ ৬৬ লাখ ১৪৮ টন, গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ টন এবং অবশিষ্ট ধান চাল আকারে হিসাব করলে হয় ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন।
খাদ্য মন্ত্রণালয় আরো পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুষ্টিহীনতা দূর করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতাধীন কর্মসূচিগুলো আরও গতিশীল ও সম্প্রসারিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
